West Bengal BJP : বিজেপির আইন অমান্য আন্দোলনে ধুন্ধুমার ব্যারাকপুরে! পুলিশের লাঠিচার্জ, ধরনায় সুকান্ত – bjp law violation program at north 24 parganas barrackpore


সিপি অফিস ঘেরাও কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল ব্যারকপুরে। ঘটনায় রণক্ষেত্র পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সোমবার এই কর্মসূচির ডাক দেয় বিজেপি। কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সকাল থেকে পুলিশি নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয় চিড়িয়া মোড় থেকে সিপি অফিস চত্বর। তৈরি করা হয় ব্যারিকেট। রাখা হয় জলকামান। রাস্তা একদিক বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এরপর সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে আইন অমান্য আন্দোলন কর্মসূচি নিয়ে সামনে এগতে গেলেই পুলিশি বাধার মুখে পরে বিজেপি। শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি। অভিযোগ, মিছিল থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ও ইট বৃষ্টি শুরু হয়। এরপর শুরু হয় পুলিশের লাঠিচার্জ।পরিস্থিতি সামাল দিতে কাঁদানে গ্যাস, এমনকী জল কামানের ব্যবহারও করা হয়। ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। মুহুর্তে রণক্ষেত্রের আকার ধারণ করে গোটা এলাকা।

সুকান্ত মজুদারের নেতৃত্বে ব্যারাকপুর কমিশনারেট ঘেরাও কর্মসূচি ঘিরেই এই পরিস্থিতি হয়। বিজেপি তরফ থেকে দাবি করা হয়, পুলিশ বিজেপি মহিলা মোর্চা কর্মীদের উপর লাঠিচার্জ করেছে। পুলিশের লাঠির আঘাতে আহত হয়েছেন অনেকেই। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় ব্যারাকপুর চিড়িয়ামোড় এলাকায়। ঘটনায় সুকান্ত মজুমদারের অভিযোগ, ‘পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে, পুলিশ ইট মেরেছে। পুলিশি প্ররোচনাতেই এই ঘটনা ঘটেছে।’ ঘটনায় পুলিশ স্টেশনে ধরনায় বসেছেন সুকান্ত মজুমদার।

এদিন আহত কর্মীদের দেখতে বিএন বসু হাসপাতালে যান সুকান্ত মজুমদার। সেই সময় তিনি বলেন, পুলিশ একেবারেই তৃণমূলের দলদাসে পরিণত হয়েছে। পুলিশ শুধু লাঠিচার্জ করেনি, ফেলে মেরেছে, বিনা প্ররোচনায় জলকামান চালিয়েছে, এত বড় নেতৃত্ব আছে, পুলিশ টিয়ার গ্যাস চালিয়েছে, একবার কথা বলতে আসবে না! আমাদের মহিলাদেরকে পুরুষ পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে।’

বিজেপির রাজ্য সভাপতি আরও বলেন, ‘নিরপেক্ষভাবে ভোট করাতে পারবে না, আমি কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকে বলব, এখানে পুলিশ সম্পূর্ণ দলদাসে পরিণত হয়েছে। পুলিশ বিজেপি কর্মী-সমর্থকদেরকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। ভাবছে, বিজেপি ঘরে ঢুকে যাবে, আমরা এত নিরীহ নই, চোখে চোখ রেখে লড়াই হবে, পুলিশকে কোর্টে নিয়ে গিয়ে উচিত শিক্ষা দেব।’

এদিকে এই ঘটনায় তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন,’পুলিশের ব্য়ারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেছে, জনজীবনকে ব্যাহত করে প্ররোচনা দিচ্ছিল বিজেপি। ব্যারিকেড ভাঙলে কী করবে, পুলিশ তো বাধা দেবেই! জেনেশুনে নাটক করতে গিয়েছেন। বামফন্ট সরকারের পুলিশ থাকলে গুলি চালাত, যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকত, গুলি চালাত, বিশৃঙ্খল জনতাকে সরিয়ে দিতে যা যা করা দরকার, শুধু সেটুকু করেছে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *