West Bengal News : এলাকা দখলের লড়াই, মুর্শিদাবাদে বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠানে গুলিতে ঝাঁঝরা যুবক – young boy allegedly killed by miscreants in a marriage house at murshidabad


বিয়ের বাড়ির অনুষ্ঠানে চলল এলোপাথাড়ি গুলি। দুস্কৃতীদের গুলিতে মৃত্যু হল এক যুবকের। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদ থানার আমানিগঞ্জ দিয়ার ঘোষপাড়ায়। নিহত যুবকের নাম শ্যামবাবু রায়। ঘটনায় ১১ জনের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্তে শুরু করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে শ্যামবাবু রায়ের সঙ্গে রতন রায় ও তার ছেলে রথীন রায়ের বিবাদ ছিল। দু’মাস আগে আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেফতার হয়েছিলেন রথীন রায়। রতন গোষ্ঠীর অভিযোগ, রথীনকে ষড়যন্ত্র করে ধরিয়ে দিয়েছিলেন শ্যামবাবু। রথীন জামিন পাওয়ার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা বাড়ে। গতকাল ওই গ্রামের একটি বিয়ে ছিল। সেই বিয়ের অনুষ্ঠানে আতশবাজি ফাটানো হচ্ছিল। অভিযোগ, সেই সময় শ্যামবাবু রায়ের লোকজন গুলি চালায়। এরপরই রথীন রায়ের দলবল আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হাজির হয়ে পালটা শ্যামবাবুকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে বলে অভিযোদ। শ্যামবাবুর বাগান বাড়িতে ভাঙচুরও চালায় দুস্কৃতীরা।

শ্যামবাবু রায়কে লক্ষ্য করে দশ থেকে বারো রাউন্ড গুলি চালান হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তার মধ্যে তিনটি গুলি লাগে যুবকের শরীরে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই যুবককে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। মুর্শিদাবাদ থানার পুলিশ জানাচ্ছে, ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। তবে অভিযুক্তরা এখনও পলাতক। ঘটনায় রতন রায়, রথীন রায়, তপন রায় সহ মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে।

এই ঘটনায় নহতের দাদা কামেশ্বর রায় বলেন, ‘আমি আর আমার ভাইরা বিয়েবড়িতে গিয়েছিলাম। সবাই খেয়ে চলে এসেছি। ওখানে নাকি পটকা ফাটান নিয়ে ঝামেলা হয়ছে। আমার ভাইদেরকে বললাম চলে আয়। ওরা চলে আসছিল, সেই সময় ঘিরে মেরে দেয়। গুলি মেরেছে, ইট পাটকেলও মেরেছে। যারা মেরেছে তারা গোটা পাড়ায় গণ্ডগোল পাকায়।’

কয়েক সপ্তাহ আগে তৃণমূল নেতা খুন
প্রসঙ্গত, কয়েক সপ্তাহ আগে প্রকাশ্যে শ্যুট আউটে বহরমপুরে এক তৃণমূল নেতাও খুন হন। নিহতের ওই তৃণমূল নেতার নাম ছিল সত্যেন চৌধুরী। তৃণমূল নেতার বাড়ির সামনে একটি নির্মীয়মান ফ্ল্যাটেই চালান হয় গুলি। আততায়ীরা পরপর তিনটি গুলি করে পালিয়ে যায় সেখান থেকে। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন সত্যেন। পরে হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *