Solar Panel: শুধু রুফটপ সোলার প্যানেলে হবে? পরিবেশ-প্রশ্নে বাজেট – finance minister nirmala sitharaman says rooftop solar panels to be installed in 1 crore homes


এই সময়: রুফটপ সোলার প্যানেলে দূষণ কমবে। কিন্তু যা যা করলে সরাসরি পরিবেশ বাঁচানো সম্ভব, বাজেটে তার দিশা নেই বলে দাবি করল বিভিন্ন সংগঠন এবং পরিবেশকর্মীদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, সৌরবিদ্যুতের ব্যবহারে পরোক্ষে পরিবেশের উপকার হবে। কিন্তু তার থেকে বড় চ্যালেঞ্জ পরিবেশ বাঁচানো।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জলদূষণ, বায়ুদূষণ-সহ বহু সমস্যায় জর্জরিত দেশ। সেই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সংশ্লিষ্ট খাতে কত বরাদ্দ হয়েছে, তার কোনও খতিয়ান এবারের বাজেটে নেই। সেটাই চিন্তার কারণ বলে মনে করছেন পরিবেশকর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, পরিবেশ বরাবরের মতো উপেক্ষিতই রয়ে গেল।

বৃহস্পতিবারের ‘ভোট অন অ্যাকাউন্ট’-এ কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ঘোষণা করেন, দেশের ১ কোটি বাড়িতে রুফটপ সোলার প্যানেল বসানো হবে। সেই প্রকল্প থেকে ৩০০ ইউনিট বিদ্যুৎ পরিবারগুলি নিখরচায় পাবে। বাড়তি বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থায় বিক্রি করতে পারবে।

এ ছাড়াও অপ্রচলিত শক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করার প্রকল্প হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমনকে শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্যেই এই পরিকল্পনা করা হয়েছে। পরিবেশকর্মীদের বক্তব্য, এতে পরোক্ষে পরিবেশ কিছুটা সবুজ হবে। কিন্তু দূষণের প্রশ্নে তার থেকেও দেশের সামনে এখন বড় সমস্যা রয়েছে।

পরিবেশকর্মী বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘উত্তর-পূর্ব ভারতের কয়েকটি নদী ছাড়া দেশের সমস্ত নদীই দূষণের শিকার। নদীর দূষণ রোধে এর আগে একাধিক প্রকল্পের ঘোষণা হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। তাতে গতি আনতে যে অর্থবরাদ্দ দরকার, সে দিকে কোনও নজরই পড়ল না এ বারের অন্তর্বর্তী বাজেটে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অবস্থাও তথৈবচ। অথচ সেই ক্ষেত্রেও কোনও দিশা দেখলাম না।’

Ganga Pollution: ভাগের মা, তাই দূষণে গঙ্গাপ্রাপ্তি খোদ গঙ্গারই
একই কথা বলছেন পরিবেশকর্মী সুভাষ দত্ত — ‘এখনও পর্যন্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কোনও সুসংসহত নিয়ম তৈরিই হয়নি। উন্নত প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে কঠিন এবং তরল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন দিগন্তের খোঁজ মিলতে পারে। কিন্তু তার জন্য অর্থ বরাদ্দ দরকার। বাজেটে তার কোনও সংস্থান দেখলাম না।’

দূষণের নিরিখে এখনও অন্যতম বড় সমস্যা বাতাসের বিষ। দিল্লি-কলকাতার সঙ্গে দেশের সব শহরই এখন কমবেশি বায়ু দূষণের শিকার। শহরের গণ্ডি ছাড়িয়ে গ্রামাঞ্চলের বাতাসেও বাড়ছে বিষের মাত্রা। বাজেটে সবুজ উন্নয়নের কথা বলা হলেও বাস্তবে কিন্তু পরিবেশ সুরক্ষা আইনের পরিবর্তন যেমন করা হয়নি, তেমনই দূষণ রুখতে নতুন কোনও দিশাও নেই বলে অভিযোগ।

পুরোনো গাড়ি বাতিল-নিয়ন্ত্রণ এবং একাধিক ব্যবস্থা নেওয়ার সংস্থান রয়েছে। পরিবেশকর্মীরা বলছেন, তাতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দরকার। কিন্তু এবারের বাজেট সেই সম্ভাবনা এড়িয়ে গেল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *