এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পন্ডা বলেন, ‘মোমবাতি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, মোমবাতির আকাল পড়িয়াছে। মোমবাতি পাওয়া যাচ্ছে না বলে বিদ্বজ্জনেরা নামতে পারছেন না, মোমবাতি পেলে নিশ্চয় নামতেন, বা মোমবাতির শিখা পুরস্কারে ১ লাখ – ২ লাখ টাকায় নিভে গিয়েছে, তাই এই অবস্থা তৈরি হয়েছে। খুবই প্যাথেটিক, দুঃখজনক এবং বেদনার।’
এর প্রেক্ষিতে কবি সুবোধ সরকারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘বুদ্ধিজীবীরা কেন চুপ, কেন তাঁরা প্রতিবাদ করছেন না, সেটা আমি কী করে বলি? আমি কবিতা লিখি, অতীতেও লিখতাম, এখনও লিখি, যে কোনও জায়গায় অন্যায় হলে প্রতিবাদ করেছি কবিতার মাধ্যমে। আমি তো রাস্তায় নামতে পারি না সবসময়। বাকিরা কেন প্রতিবাদ করছেন না, কেন রাস্তায় নামছেন না, সেটা তাঁরা বলতে পারবেন।’ তাহলে কি সন্দেশখালি নিয়েও কোনও কবিতা লিখেছেন সুবোধ সরকার? উত্তরে কবি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি তো লিখেই থাকি। অনেক কবিতা হয়ত চোখে পড়ে না। একটা-দুটো কবিতা হয়ত চোখে পড়ে, তখন লোকে বলে ওইটা লিখেছেন, এইটা নিয়ে তো লিখছেন না? এই প্রশ্নগুলোর সারাক্ষণই মুখোমুখি হতে হয়। সন্দেশখালি বলে নাম দিয়ে লিখতে হবে, সজনেখালি লেখা যাবে না, কবিতা তো সবসময় সরাসরি ওভাবে লেখা যায় না। প্রতিবাদ আমি আগেও করেছি, এখনও করি।’
পাশাপাশি নাট্য ব্যক্তিত্ব কৌশিক সেন বলেন, ‘গত ১০ বছর ধরে এটা একটা ন্যারেটিভ, যে রাজনৈতিক দলগুলি কী বলল সেই অনুযায়ী বিদ্বজ্বনেদের চলতে হবে। পথে নামাটা এত সহজ একটা জিনিস? যে ৪টে লোক মিলে রাস্তায় নেমে পড়লাম? তাতে কী পার্থক্য হবে?’ একইসঙ্গে কৌশিক সেন বলেন, ‘১৫ তারিখে একটি সংগঠন একটি মিটিং ডেকেছে রানুছায়া মঞ্চে, আমি সপরিবারে যাব। সেই প্রতিবাদ সভা সন্দেশখালির বিরুদ্ধে হচ্ছে, সেখানে অবশ্যই যাব, কিন্তু আমার প্রতিবাদের ভাষাটা আমারই হবে,ওটা কোনও বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস লিখে দেবে না।’
