এদিন মামলা দায়ের করার সময় মামলাকারীদের আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি জানান, শাসক দলের নেতা মন্ত্রীদের যেতে দিচ্ছে পুলিশ, কিন্তু বাকিদের আটকানো হচ্ছে। এই আবেদনের ভিত্তিতে বিচারপতি কৌশিক চন্দর পর্যবেক্ষণ, সেটাই তো স্বাভাবিক, যে শাসক দলের নেতাদের আটকানো হবে না। আপনার দল ক্ষমতায় এলে তারাও সেটাই করবে। প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি।
সোমবার সন্দেশখালি এলাকায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে যান ওই দলের সদস্যরা। রবিবার সন্দেশখালি যাওয়ার পথে তাঁদের আটকায় পুলিশ। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের ওই দলে ছিলেন পাটনা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি এল নরসিমহা রেড্ডি সহ আইপিএস অফিসার, আইনজীবী-সহ ৬ সদস্য। রবিবার তাঁরা কলকাতা থেকে রওনা দিয়ে ধামাখালি হয়ে সন্দেশখালির পাত্রপাড়া, মাঝেরপাড়া, নতুনপাড়া, নস্করপাড়ায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
তবে ভোজেরহাট এলাকায় তাঁদের আটকে দেওয়া হয়। এরপরেই রাস্তায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাঁরা। পুলিশ ওই টিমের সদস্যদের প্রিজন ভ্যানে তুলে আটক করে। একাধিক জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে বলে তাঁদের যেতে বাধা দেয় পুলিশ। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে আটকাতে আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল কলকাতা পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা। উপস্থিত ছিলেন ডিসি সৈকত ঘোষ। প্রসঙ্গত, এর আগে জাতীয় মহিলা সুরক্ষা কমিশন থেকে শুরু করে এসসি কমিশন সন্দেশখালি এলাকা পরিদর্শন করে। সন্দেশখালি এলাকায় যান স্বয়ং রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। পাশাপাশি, একাধিক রাজনৈতিক দল সন্দেশখালি যাওয়ার চেষ্টা করলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাঁদের বাধার সম্মুখীন হতে হয় একাধিক জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি থাকার জন্য।
