কী বললেন শান্তনু?
বনগাঁ বাটার মোড়ে বিজেপির ট্রেড ইউনিয়ন রিলেশন সেল বনগাঁ সংগঠনের তরফে আয়োজিত একটি সভায় উপস্থিত হয়ে শান্তনু ঠাকুর বলেন, ‘আমি ভারতবর্ষের নাগরিক হিসেবে আমাদের উদ্বাস্তু সমাজের মানুষকে অভয় দিতে চাই, আমি নিজে আবেদন করব উদ্বাস্তু মানুষের হয়ে। আমি এই কারণের আবেদন করতে চাই, এবং তৃণমূল কান খুলে শুনে নিক, আমি আমার মানুষকে অভয় দিয়ে বলতে চাই, যে আবেদন করলে কেউ কোনওরকম সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না, কারও কোনওরকম অসুবিধা হবে না, উপরন্তু ভবিষ্যতের রক্ষাকবচ হিসেবে এই নাগরিকত্ব আমাদের আগলে রাখবে।’
পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শান্তনু ঠাকুর আরও বলেন, ‘অবশ্যই আবেদন করব। আমার মানুষকে সাহস দিতে হবে তো। তার জন্য আবোদন করব না? এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যা কথা বলছেন, আমি আবেদন করে দেখি, আমার কী হয়ে যায়!’
‘অবশ্যই আবেদন করব। আমার মানুষকে সাহস দিতে হবে তো। তার জন্য আবোদন করব না? এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যা কথা বলছেন, আমি আবেদন করে দেখি, আমার কী হয়ে যায়!
শান্তনু ঠাকুর
মুখ খুলেছিলেন কুণাল
যদিও কিছুদিন আগে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ এই বিষয়ে এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখেন, ‘বিজেপির যে নেতারা CAA ফর্ম ফিল আপ করবেন, তাঁরা যেন কোনও ভোটে না দাঁড়ান। যদি MLA বা অন্য স্তরে থাকেন, ইস্তফা দিন বা বরখাস্ত করা হোক। কারণ CAA আবেদনের প্রথম শর্ত হল তিনি ভারতের নাগরিক নন। তাহলে অনাগরিক কেউ এদেশের এমপি, এমএলএ হবেন কেন বা কী করে?’
উল্লেখ্য, নির্বাচন ঘোষণার কয়েকদিন আগেই দেশে লাগু হয়েছে সিএএ। এক্ষেত্রে বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির অভিযোগ, ভোটের আগে এই আইন লাগু করে রাজনীতি করছে গেরুয়া শিবির। যদিও পালটা বিজেপির দাবি, গত নির্বাচবনে এটি তাদের দলীয় ঘোষণা পত্রে ছিল। আর সেই প্রতিশ্রুতিই এবার পূরণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে সিএএ যে কোনওভাবেই প্রত্যাহার হবে না, সেটও স্পষ্ট করে দিয়েছে কেন্দ্র।
