রীতিমতো পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেল বুধবার সেখানে। বসন্তে পলাশফুল এবং আরও প্রাকৃতির সৌন্দর্য্যের টানে সেখানে বহু মানুষ দৌড়ে আসেন। কলকাতা থেকে দূরত্ব খুব একটা বেশি না হওয়ায় অনেকেই হাতে গোনা কয়েকদি এখানে এসে দারুণ লাগছে। এতবার মুকুটমণিপুরে এসেছি। কিন্তু, বসন্তে এই দৃশ্য দেখা যায় না। আমরা আশা করিনি বসন্তে এই দৃশ্য দেখতে পাব। এককথায় অসাধারণ। প্রচণ্ড বাড়তি পাওনা। এখানে প্রচুর ভিড়। যাঁরা আসার কথা ভাবছেন তাঁরা এক মুহূর্ত দেরি না করে চলে আসুন।’ অনেকে ছুটি পেয়েই দৌড় লাগান মুকুটমণিপুরে। সামনে দোল, সেই জন্য পর্যটকদের ভিড় অপেক্ষাকৃত বেশি। তাঁদের জন্য প্রাপ্তিটা যেন দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে।
কলকাতা থেকে মুকুটমণিপুরে বেড়াতে যাওয়া পর্যটক চুমকি ঘোষ বলেন, ‘আমরা বসন্তে পলাশফুল দেখতে এখানে এসেছিলাম। দোলের সময় এখানে পলাশ ফোটে। আর সেই সৌন্দর্য্য দেখার জন্য এখানে আসা। কিন্তু, মুকুটমণিপুরে এসে দেখি ড্যামে জল ছাড়া হয়েছে। সেই দৃশ্য রীতিমতো অপূর্ব। যে মনে হচ্ছে সমুদ্র সৈকতে দাঁড়িয়ে রয়েছি। আমরা কলকাতা থেকে এসেছি। কিন্তু, এই উপরি পাওনাটা অপ্রত্যাশিত ছিল। এর আগে কখনও আসিনি। মুকুটমণিপুরের সৌন্দর্য্য ভোলার নয়।’
এই প্রসঙ্গে পর্যটক সুপ্রিয়া সোরেন বলেন, ‘এখানে এসে দারুণ লাগছে। এতবার মুকুটমণিপুরে এসেছি। কিন্তু, বসন্তে এই দৃশ্য দেখা যায় না। আমরা আশা করিনি বসন্তে এই দৃশ্য দেখতে পাব। এককথায় অসাধারণ। প্রচণ্ড বাড়তি পাওনা। এখানে প্রচুর ভিড়। যাঁরা আসার কথা ভাবছেন তাঁরা এক মুহূর্ত দেরি না করে চলে আসুন। যাঁরা শহরের বাসিন্দা তাঁদের বলব অবিলম্বে আসুন। মুকুটমণিপুরের এই রূপ কথায় বর্ণনা করা যাবে না।’ সুপ্রিয়া-চুমকির পাশাপাশি আরো একাধিক পর্যটকের কণ্ঠে মুগ্ধতার ছাপ।
