এই বৈঠকের পরেই তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়, যাঁরা তাঁকে বহিরাগত বলে আখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করছেন তাঁদের জানা উচিৎ যে একজন খেলোয়াড় কখনোই তার নিজের জন্য খেলে না। সে খেলে তাঁর দলের জন্য ঠিক তেমনি কীর্তি আজাদের দল হচ্ছে বাংলার কৃষ্টি ও সংস্কৃতির ধারক ও রক্ষক তৃণমূল কংগ্রেস। কীর্তি আজাদের মত কৃতী সন্তানের জন্য আমরা গর্বিত।
কীর্তি আজাদ একবার দিল্লির বিধায়ক ও তিনবার বিহারের সাংসদ হয়ে দেশের সেবা করেছেন। তৃণমূলের দাবি, তাঁর পিতা ভগবৎ ঝাঁ আজাদ।ইরেজদের বিরুদ্ধে ভারত ছাড়ো আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। এমন এক দেশাত্মবোধক পিতার সন্তান হয়ে কীর্তি আজাদ, দিল্লির জমিদারদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই শক্তিশালী করতে চান।
বৈঠক থেকে মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন, যে কেন্দ্রে বসে ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার রাজ্যকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। যেখানে কেন্দ্রীয় সরকার প্রতি বছর রাজ্য থেকে কর আদায় করছে। কেন্দ্রীয় সরকার দরিদ্রদের পাওনা পরিশোধ করছে না।এই বঞ্চনার বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেস অধিকার যাত্রা শুরু করবে। যাত্রা চলাকালে তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদ সহ কর্মীরা এলাকার প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়ে বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবেন। ভোটারদের দাবি সম্পর্কে সচেতন করবে। তিনি বলেন, ‘দুর্গাপুর সংসদীয় আসনে গতবারের পরাজয়কে জয়ে রূপান্তর করতে সকল ভোটারদের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।’ এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, রাজ্যের গ্রাম উন্নয়ন ও পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার, বর্ধমান – দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী কীর্তি আজাদ, পূর্ব বর্ধমান জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি নরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী ও SBSTC সভাপতি সুভাষ মণ্ডল সহ একাধিক নেতাকর্মীরা।
