বিরোধী প্রার্থীকে নিয়ে কল্যাণের বক্তব্য, শ্রীরামপুর কেন্দ্রে যিনি প্রার্থী হয়েছেন তিনি ২০২১ সালে বিধানসভায় ২৬ হাজার ভোটে হেরে গিয়েছিলেন। সেই যে শ্রীরামপুর ছেড়েছিলেন আর তিন বছর দেখা যায়নি। তিনটে উইকেট হারিয়ে চলে গিয়েছিল। করোনার সময় দেখতে পাওয়া যায়নি। কল্যাণের চ্যালেঞ্জ, গতবার আমি হ্যাটট্রিক করেছি বাউন্ডারি আমি মারবই। আমি আমার ব্যাগ সেদিনই গোছাবো যেদিন আমি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করব।
অন্যদিকে, এদিন শ্রীরামপুরে ভোট প্রচার করেন কবীর শংকর বসু। হনুমান মন্দিরে পুজো দিয়ে ভোট প্রচার শুরু করেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য প্রসঙ্গে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন বিজেপি প্রার্থী। কবীর শংকর বলেন, ‘আপনি জায়গা পছন্দ করুন। সেখানে মিডিয়া থাকবে আমি অনেক বিষয়ে আপনার সঙ্গে লাইভ বিতর্কে যাব। হিউম্যান রাইটস ফ্যামিলি রাইটস যা যা আছে।’
তৃণমূল প্রার্থীর মন্তব্যের সমালোচনা করে কবীর শঙ্কর বলেন, ‘মানুষের আবেগ হল ভোট। আবেগ ভালোবাসা চাকরি সুরক্ষা। সন্দেশখালি কি ক্রিকেট নাকি ফুটবল খেলা? কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়-এর কাছ থেকে মানুষ এটা আশা করেন না। লাইভ বিতর্কে আসুন যে কোন ইস্যু নিয়ে আমি আপনাকে ওপেন চ্যালেঞ্জ দিলাম। প্রসঙ্গত, ২০০৯ সাল থেকে এই কেন্দ্র টানা জিতে আসছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। গতবার বিজেপির প্রার্থী দেবজিৎ সরকারকে এই কেন্দ্র থেকে এক লাখের বেশি ব্যবধানে হারান কল্যাণ। এবার অবশ্য তৃণমূল বিজেপির পাশাপাশি সিপিএমের তরফে ছাত্র আন্দোলন থেকে উঠে আসা নটেই নেত্রী দীপ্সিতা ধরকে প্রার্থী করা হয়েছে। ফলত, লড়াই এবার ত্রিমুখী হবে এমনটাই বলছেন রাজনৈতিক মহলের বিশেষজ্ঞরা।
