এই সময়টায় আম ও লিচুর মুকুল ধরে বলে প্রচুর পরিমাণে লিচুর মধু পাওয়া যায়। বিক্ষোভকারী মৌ-পালকদের অভিযোগ, মৌমাছি পালনের মরসুমে এত পরিমাণে মৌমাছি মারা যাওয়ায় তাঁরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়লেন। বিক্ষোভকারী মৌমাছি পালক বাগবিল্লা মণ্ডল বলেন, ‘মৌমাছি চাষের উপরে নির্ভর করেই আমাদের সংসার চলে। একসঙ্গে এতগুলো মৌমাছি মারা যাওয়ায় আমরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে। এইভাবে আমাদের মৌমাছির গাড়ি আটকে দেওয়া উচিত হয়নি। আমরা চাই জঙ্গিপুরের আরটিও অফিসারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নাহলে, আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।’
বিক্ষোভকারী মৌমাছি পালক প্রশান্ত হাজারী বলেন, ‘মৌমাছি পরিবেশ বান্ধব পতঙ্গ। এ ভাবে মৌমাছির মৃত্যু হলে পরিবেশের বড় ক্ষতি হয়ে যাবে। কিন্তু শুধুমাত্র টাকা আদায়ের জন্য আমাদের গাড়ি আটকে হাজার হাজার মৌমাছিকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা সুবিচার চাই।’ এই ব্যাপারে প্রশাসনের কেউ মুখ খুলতে চাননি।
