তার আগে, এ দিন তিনি গাইঘাটা ব্লকের শিমুলপুর এবং ইছাপুর পঞ্চায়েতের দলের কর্মীদের নিয়ে সাংগঠনিক বৈঠক করেন। এই দুই পঞ্চায়েতের বুথস্তরের কর্মীরাও ছিলেন। এ দিনের কর্মিসভায় বিশ্বজিৎ দাসের সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। কয়েক দিন আগে ঠাকুরনগরে সিএএ-র বিরোধিতায় মিছিল করেছিলেন মতুয়ারা। মতুয়াদের সেই ক্ষোভকে কাজে লাগাতে এ দিন শান্তনুর গড়ে ভোটপ্রচার সারলেন বিশ্বজিৎ।
এদিন তিনি ঠাকুরনগর বাজারে স্থানীয় বাসিন্দা থেকে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে জনসংযোগ করেন। দোকানে ঢুকে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সাংসদ হিসেবে আগামী পাঁচ বছর মানুষের সঙ্গে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন বিশ্বজিৎ। রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা টোটো চালকদের সঙ্গেও কথা বলেন।
এরপরেই তিনি চলে আসেন ঠাকুরনগর স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে। সেখানে হকারদের সঙ্গে কথা বলেন। প্ল্যাটফর্ম লাগোয়া একটি চায়ের দোকানে ঢুকে পড়েন বিশ্বজিৎ দাস। চায়ের দোকানে তখন বসেছিলেন কয়েকজন। চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে তাঁদের সঙ্গে কথা হয় বিশ্বজিতের।
অন্য দিকে, গত ২৮ মার্চ দলের নির্দেশে রাজস্থানে ভোটের প্রচারে গিয়েছেন শান্তনু ঠাকুর। তাঁর অনুপস্থিতিতে এ দিন স্বরূপনগর, বনগাঁ সহ কল্যানীতে দলের কর্মীদের নিয়ে সাংগঠনিক বৈঠক করেন বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি দেবদাস মণ্ডল। শান্তনু ঠাকুর বলেন, ‘দলের নির্দেশেই আমি রাজস্থানে আছি। দু-একদিন পর ফিরব ঠাকুরনগরে।’
