এর প্রভাবেই ভর দুপুরে শুকনো গরমে জেরবার হতে হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দাদের। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আগুনের হলকার মতো গরম হাওয়া মানুষের জীবনীশক্তিকে নিংড়ে নিতে শুরু করেছিল।
আজ, বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত রাজ্যের আটটি জেলার বিভিন্ন অংশে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হবে বলে পূর্বাভাস রয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিসের। এই আট জেলার মধ্যে রয়েছে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বীরভূম এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার নাম। তবে তাপপ্রবাহ সতর্কতার মধ্যেও রাজ্যবাসীর জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর জানিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস।
বলা হয়েছে, ৭ এপ্রিল, রবিবার দক্ষিণবঙ্গের সব ক’টি জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যদি শেষ পর্যন্ত দক্ষিণের ১৫টি জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টি হয়, তাহলে গরমে জেরবার অবস্থা থেকে সাময়িক ভাবে হলেও মুক্তি পাবেন সেখানকার বহু মানুষ। উত্তরবঙ্গের সব ক’টি জেলাতেই গোটা সপ্তাহ জুড়ে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং বিক্ষিপ্ত ভাবে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস থাকলেও ওইসব এলাকার গরম এখনও দক্ষিণের মতো চরম আকার ধারণ করেনি।
ফলে সেখানকার আবহাওয়া এখনও দক্ষিণের তুলনায় অনেকটাই সহনীয় অবস্থায় রয়েছে। বুধবার সন্ধেয় আলিপুর হাওয়া অফিস যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে তাতে দেখা গিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি থেকে ৩৯ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করেছে।
এদিন রাজ্যের উষ্ণতম এলাকাগুলোর মধ্যে ছিল পানাগড় (৩৯.৯), বাঁকুড়া (৩৯.৫), পুরুলিয়া (৩৮.৭), আসানসোল (৩৮.৬) এবং বর্ধমান (৩৮.৪)। বুধবার কলকাতা এবং সংলগ্ন সল্ট লেক ও দমদমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যথাক্রমে ৩৭.১, ৩৭ এবং ৩৭.৯ ডিগ্রি।
