এদিন আলিপুরদুয়ারের তৃণমূল প্রার্থী প্রকাশ চিক বরাইকের ভূয়সী প্রশংসা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা জানান, তিনি প্রকাশ চিক লরাউইককে রাজ্যসভার টিকিট দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু প্রকাশ চিক বরাইক নিজেই মানুষের কাজ করার জন্য তাঁকে লোকসভার টিকিট দেওয়ার আবেদন জানান। তাই উপস্থিত জনতার উদ্দেশে মমতার আবেদন, ‘দয়া করে ভোটটা ওঁকে দেবেন।’
এর আগে বৃহস্পতিবার কোচবিহারে মাথাভাঙা এবং জলপাইগুড়িতেও সভা ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেখানেও দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার সভা করেন মমতা। কোচবিহারের দলীয় প্রার্থী জগদীশচন্দ্র বসুনিয়া এবং জলপাইগুড়ির দলীয় প্রার্থী নির্মলচন্দ্র রায়ের সমর্থনে সভা করতে দেখা যায় তাঁকে। সেই দুই সভাতেও দলীয় প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার আবেদন জানান তিনি।
প্রত্যেক সভা থেকেই স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আবাস যোজনা এবং ১০০ দিনের কাজের টাকা এখনও আটকে রাখার অভিযোগ তুলে বারেবারেই কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করেন তিনি। একইসঙ্গে একাধিক সভা থেকে নাম না করে কোচবিহারের বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিককেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম না করে নিশীথ প্রামাণিককে ‘গুন্ডা’ বলে আখ্যা দেন তৃণমূল নেত্রী। অন্যদিকে আবার কোচবিহারে সভা করেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারের ঝড় নিয়ে কোনও কথা কেন বললেন না, সেই প্রশ্নও তুলতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। প্রসঙ্গত, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে যে ঝড়ের ঘটনা ঘটেছে, তারপর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী।
