প্রচারের মাঝে থেকে তখনই প্রার্থীর নাম কানে যায়নি বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির। দিলীপ ঘোষের পাশেই বসেছিলেন বর্ধমান বিজেপি জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা। সাংবাদিকের প্রশ্ন শুনে প্রথমেই বলেলন, ‘হয়ে গিয়েছে, জানি না আমি।’
এরপরেই জেলা সভাপতি কানের কাছে নিয়ে গেলেন মুখটা। জেলা সভাপতিকে দিলীপ- কে হয়েছেন?
জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা তখন বলেন – অভিজিৎ দাস হয়েছে প্রার্থী।
এবার দিলীপ ঘোষ বললেন – এঁকে তো এক মাস আগেও দিতে পারতো।
তাহলে প্রার্থী ঘোষণা এতদিন আটকে রাখা হল কেন? কিছুটা কী অবাক হয়েছেন দিলীপ ঘোষ নিজেও? কোনও তারকা প্রার্থী বা হেভিওয়েট মুখ না দিয়ে জেলারই এক নেতাকে প্রার্থী করা হল, বিষয়টি সন্দেহজনক ঠেকেছে, দিলীপ ঘোষের কাছেও? কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মুখ ঘুরিয়ে দিলীপ সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলা শুরু করলেন, ‘অভিজিৎ দাস যিনি হয়েছেন, আগের নির্বাচনে (২০১৪ সাল) সেই প্রার্থী ছিল। জেলা সভাপতি ছিলেন। লড়াকু ছেলে এবং ভূমিপুত্র। লড়াই করবে।’ একরাশ প্রশংসা দিলীপ ঘোষের মুখে।
তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বিরুদ্ধে অভিজিৎ দাস কিছুটা হালকা প্রার্থী হলে গেল না? দিলীপের জবাব, ‘পুরনো লড়াই ওখানকার ভূমিপুত্র লড়াই করেছে। সংগঠন দাড় করিয়েছে। আর উনি (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়) বাইরে থেকে গিয়েছেন। দেখা যাক লোক কার সঙ্গে থাকে।’
তবে, তুলনামূলক দুর্বল প্রার্থী অভিজিৎ দাস? দিলীপের কথায়, ‘আমি জানিনা কে দুর্বল আর কে সবল। জনতা ঠিক করবে। দেশের, দুনিয়ার সবচেয়ে বড় পার্টির একজন প্রার্থী হয়েছেন অভিজিৎ দাস। তিনি নিজের বাড়িতে দাঁড়িয়ে, নিজের মাঠে দাঁড়িয়ে, নিজের এলাকায় দাঁড়িয়ে, তিনি ওখানের গ্রাম গ্রাম জানেন। ওখানকার বিজেপি সংগঠনকে দাঁড় করিয়েছেন তিনি প্রার্থী হয়ে আমাদের লড়বেন, কর্মীরা তার হয়ে লড়াই করবেন।’
