এই প্রসঙ্গে বর্ধমান পূর্বের BJP প্রার্থী অসীম সরকার বলেন, ‘আমরা ওখানে যাব শীঘ্রই। মানুষকে কথা দিয়ে আসব, যদি পদ্মফুল ভোট দেয় এবং তারপর উন্নয়ন না হলে কোনওকালে ভোট চাইতে যাব না।’ অন্যদিকে, রাজ্য তৃণমূলের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, ‘এই কাজটা আশা করি নির্বাচনের পর হয়ে যাবে। BJP-র কাছে মানুষ কিছু আশা করে না।’
দিলালপুর হয়ে মেমারি যাওয়ার একমাত্র রাস্তা এই কাঠের সেতু রয়েছে। বাম আমলে এই কাঠের সেতু তৈরি হলেও তার কোনও রক্ষনাবেক্ষণ হয়নি। এখন তা ভগ্নপ্রায়। যে কোনও সময় তা ভেঙে পড়তে পারে। কোনওমতে ঝুঁকি নিয়ে চলছে পারাপার।
এই পরিপ্রেক্ষিতে ভোট বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন গ্রামবাসীরা। দিলালপুর সহ তার পার্শ্ববর্তী আরও পাঁচ থেকে ছয়টি গ্রামের মধ্যে নেই কোনও রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার কর্মসূচির ব্যানার। দেওয়াল লিখন থাকলেও তা মুছে দেওয়া হয়েছে। ভোট বয়কটে অংশগ্রহণ করছেন এলাকার মানুষজন। ইতিপূর্বে একাধিকবার প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল ১২ বছরের বেশি সময় ডিভিসি সেচ চ্যানেলের উপর দাঁড়িয়ে থাকা কাঠের ব্রিজ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে এই কাঠের সেতু। বয়সের ভারে কার্যত ধুঁকছে। স্কুল পড়ুয়া থেকে সাধারণ মানুষ কিংবা মেমারি গ্রামীণ হাসপাতালে যাওয়া কোনও জরুরি ভিত্তিকালীন রোগী এই কাঠের ব্রিজের উপর দিয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করে চলেছেন।
এই বার যখন লোকসভা নির্বাচন দোরগোড়ায় সেই সময় এলাকায় প্রচারে আসতে চায়ছেন প্রার্থীরা। কিন্তু, দীর্ঘ সময় প্রতিশ্রুতি পূরণ না হওয়ায় আর কোনও রাজনৈতিক দলকে নতুন করে সুযোগ দিতে নারাজ গ্রামবাসীরা। তাঁরা এবার এলাকায় প্রচারও বন্ধ করে দিয়েছেন। আগে এই সেতুর হাল ফিরুক, এমনটাই চাইছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
