আমরা যখন বলতাম এটা নাটক, তখন আমাদের সমালোচনা করা হত
কুণাল ঘোষ
প্রসঙ্গত, সন্দেশখালি নিয়ে ৩২ মিনিট ৪৩ সেকেন্ডের একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে। এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি এই সময় ডিজিটাল। ভিডিয়োটিতে গঙ্গাধর কয়াল (দাবি মোতাবেক তিনি BJP নেতা) দাবি করেছেন, সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর ধর্ষণের অভিযোগ সাজানো। BJP-র এক শীর্ষ নেতার নামও তাঁর মুখে শোনা যায়। এই নিয়ে রীতিমতো তোলপাড় পড়ে গিয়েছে গোটা বাংলায়।
যদিও বঙ্গ BJP-র মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, এই ভিডিয়োটি সম্পূর্ণ ভুয়ো। বিরোধী দলনেতাকে কালিমালিপ্ত করার জন্য এটি চক্রান্ত। সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের অপমান করছে তৃণমূল, দাবি তাঁর।
এদিকে কুণালের সাংবাদিক বৈঠকও রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তাঁর কামব্যাকের আভাস পাওয়া গিয়েছিল শনিবারই। তিনি তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে একটি বৈঠক করেন। এরপরেই কুণাল বলেছিলেন, ‘তৃণমূলে ছিলাম, আছি, থাকব। কিছু আলোচনা হয়েছে। কী হয়েছে তা সংবাদ মাধ্যমের সামনে বলতে পারব না।’
তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক পদ থেকে কুণাল ঘোষকে সরিয়ে দেওয়া নিয়ে রীতিমতো চর্চা শুরু হয়েছিল বঙ্গ রাজনৈতিক মহলে। এরপর একের পর এক ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য এবং সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করেন কুণাল। কিন্তু, সন্দেশখালি প্রসঙ্গে তাঁর সাংবাদিক বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
