অপরূপা বলেন, ‘আমি এখনও দলের সাংসদ। দু’দুবার জিতেছি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশীর্বাদে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং হরিপালের দাদা বউদির দল আমাকে মঞ্চে উঠতে দেয়নি। এরা এভাবে দলিত, তপশিলি জাতি এবং সংখ্যালঘুদের অপমান করে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দলিত, তপশিলি জাতি এবং সংখ্যালঘুদের বিপক্ষে।’
এদিকে যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর মঞ্চে কে থাকবে কে কে থাকবে না তা নির্দিষ্ট করেন সেখানের সভাপতি রমেন্দ্র সিংহ রায়। এদিন মঞ্চে গিয়েছি অনেক দেরিতে। সেখানে আমি লিস্ট দেখে তবেই মঞ্চে উঠেছি। আমাকে এসব কথা বলে কোনও লাভ নেই। তফশিলি বা সংখ্যালঘু বলে যদি কেউ সহানুভূতি কোড়ানোর চেষ্টা করে সেক্ষেত্রে আমার কিছু করার নেই। এদের আমার প্রতি ব্যক্তিগত রাগ রয়েছে। আর তা মেটাচ্ছে। এতে কী এসে যায়!’
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রসঙ্গে অপরূপার এই মন্তব্যে রীতিমতো চর্চা শুরু হয়েছে স্থানীয় রাজনীতিতে। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সভা থেকে মিতালি বাগকে টিকিট দেওয়ার কারণ স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, ‘মিতালি বাগদি সম্প্রদায়ের মেয়ে। ও উচ্চশিক্ষিত। অনেকে বলেন বাগদিরা বাউড়িরা নাকি টিকিট পান না। আমরা ওকে টিকিট দিয়েছি এবং এসব ভুল প্রমাণিত করেছি। মিতালি প্রান্তিক ঘরের মেয়ে। ওকে জয়ী করুন।’
উল্লেখ্য, ২০১৪ এবং ২০১৯ সালে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র থেকে তৃণমূল প্রার্থী করেছিল অপরূপা পোদ্দারকে। কিন্তু, ২০১৯ সালে মাত্র এক হাজারের থেকে সামান্য ভোটে জয়ী হন তিনি। এরপর ২০২৪-এ অবশ্য আর অপরূপাকে টিকিট দেয়নি তৃণমূল। এদিকে অপরূপার এই মন্তব্য অত্যন্ত শোরগোল ফেলে দিয়েছে। তবে অপরূপা টিকিট না পাওয়ার পর বলেছিলেন, তিনি দলের সৈনিক। দলের প্রতি বিশ্বাস রয়েছে।
