রাজ আমলে ১৮৮১ সালে মহারানি সুনীতি দেবীর নামে এই স্কুলটি তৈরি হয়েছিল। কোচবিহার শহরে চারটি সরকারি স্কুল রয়েছে। এর মধ্যে মেয়েদের এই স্কুল বরাবরই ভালো ফল করে। মাধ্যমিকের তুলনায় উচ্চ মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় বেশি জায়গা করে নেয় এই স্কুলের ছাত্রীরা।
স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালের উচ্চ মাধ্যমিকে এই স্কুলের দুই ছাত্রী মেধাতালিকায় জায়গা করে নিয়েছিলেন। এরপর ২০২০ সালে এই স্কুলেরই ছাত্রী সঞ্জিবনী দেবনাথ মেধাতালিকায় জায়গা করে নিয়েছিলেন। ২০২২ সালের উচ্চ মাধ্যমিকে এই স্কুলেরই ছাত্রী পূর্বালী দাস মেধা তালিকায় পঞ্চম স্থান দখল করেন। গত ২০২৩ সালের উচ্চ মাধ্যমিকে এই স্কুলেরই স্বাগতা চক্রবর্তী দশম স্থান লাভ করেন।
এরপর এই বার প্রতীচিরায় তালুকদার মেধাতালিকায় রাজ্যে চতুর্থ ( মেয়েদের মধ্যে প্রথম) এবং মনস্বী চন্দ ষষ্ঠ হয়েছেন। প্রতীচি বিজ্ঞান নিয়ে ৪৯৩ নম্বর পেয়ে মেধাতালিকায় চতুর্থ হয়েছেন। অপরদিকে মনস্বী কলাবিভাগে ৪৯১ নম্বর পেয়েছেন। প্রতীচি জানান, কয়েক নম্বরের জন্য মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় জায়গা করতে পারেননি তিনি। গৃহশিক্ষক থাকলেও তাঁর সাফল্যের নেপথ্যে স্কুলের শিক্ষিকাদের ভূমিকা অপরিসীম।
মনস্বী জানান, ছোটবেলা থেকেই এই স্কুলে পড়াশোনা করেছেন তিনি। এককথায় বলা যেতে পারে, টানা পাঁচ বছর ধরে উচ্চ মাধ্যমিকে ভালো ফলাফলের রেকর্ড ধরে রেখেছে কোচবিহারের সুনীতি অ্যাকাডেমি। শিক্ষাকারা জানান, পড়ুয়াদের যা যা সাহায্য লাগে তা তাঁদের তরফে করা হয়ে থাকে। প্রত্যেক পড়ুয়া ব্যক্তিগত স্তরে কঠোর পরিশ্রম করে বলে গর্ব প্রকাশ করেন শিক্ষিকারা।
