পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও গুজরাট, উত্তরপ্রদেশের একাধিক আসন, তেলেঙ্গানা, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র-সহ একাধিক রাজ্যে ভোট সম্পন্ন হয়েছে। গো-বলয়ের একটি বিরাট অংশে ইতিমধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন। সব আসনের মধ্যে ইতিমধ্যেই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন ঢুকে পড়েছে বিজেপির ঝুলিতে বলে দাবি তাঁর। প্রসঙ্গত, সোমবার চতুর্থ দফার নির্বাচনের পর রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও অনেকমটা এরকম দাবি করেছিলেন।
বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের প্রচারে এসে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে বিশেষ বার্তা দেন শাহ। তিনি জানান, বাংলায় ৩০টি আসনে জয়ের লক্ষ্যে শান্তনু ঠাকুরকে জেতালে তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে মতুয়াদের নাগরিকত্ব দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন। অমিত শাহ বলেন, ‘মমতাদিদি আপনার সময় সমাপ্ত হয়ে এসেছে। মতুয়ারা নাগরিকত্ব পাবেনই। কেউ আটকাতে পারবেন না।’ মুখ্যমন্ত্রীকে রাজ্যের অনুপ্রবেশকারী ইস্যু নিয়ে আক্রমণ করেন শাহ। শাহের কথায়, ‘মমতাদিদি যদি বাংলার জন্য কিছু করে থাকেন, সেটা হল অনুপ্রবেশকারী এবং দুর্নীতিকারীদের মদত।’
এদিনের মঞ্চ থেকে স্বভাবতই তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের সমালোচনায় সরব হন শাহ, তাঁর কথায়, ‘পুরো বাংলায় দারিদ্রতা বেড়েছে। মোদীজির নেতৃত্বে পুরো ভারত এগিয়ে গিয়েছে। এত কিছু সত্ত্বেও বাংলা পিছনে পড়ে গিয়েছে। মোদীজি দেশকে সুরক্ষিত করেছেন। এখানে মমতা দিদি বাংলায় শুধু অনুপ্রবেশকারী, কাটমানি, দুর্নীতির কাজ করেছেন।’ প্রসঙ্গত, এবার বনগাঁ লোকসভা আসন থেকে বিজেপির টিকিটে লড়ছেন গতবারের জয়ী সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। দেশ জুড়ে নাগরিকত্ব সংশোধিত আইন চালু হওয়ার পর থেকেই মতুয়া অধ্যুষিত এই লোকসভা কেন্দ্রের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বিজেপি নেতৃত্ব।
