পিয়ালি দাসের বিরুদ্ধে ৪৪৮, ৩৪১, ৩২৩, ৩২৫ সহ বেশকিছু ধারায় মামলা দায়ের করে পুলিশ। প্রথমে তাঁকে সাক্ষী হিসেবে থানায় ডাকা হয়। তারপর ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ১৯৫এ ধারায় পিয়ালির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে পুলিশ। এদিকে পিয়ালি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আত্মসমর্পণের আবেদন জানানা। কিন্তু তারপরেও তাঁকে গ্রেফতারির নির্দেশ দেয় বসিরহাট আদালত। এরপরই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন পিয়ালি দাস।
আদালতে মাম্পি দাসের আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার জানান, মামলাটি সম্পূর্ণ জামিনযোগ্য। কিন্তু আগাম জামিনের আবেদন নাকচ করে উল্টে ১২ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে শীর্ষ আদালতের নির্দেশকেও অমান্য করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার, ওসি, তদন্তকারী অফিসার এমনকি নিম্ন আদালতের বিচারক সকলকেই হাইকোর্টে ডাকা উচিত বলে দাবি করেন মাম্পির আইনজীবী।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সন্দেশখালি সংক্রান্ত একাধিক ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। যদিও কোনও ভিডিয়োরই সত্যতা যাচাই করেনি এই সময় ডিজিটাল। ভাইরাল ভিডিয়োগুলির মধ্যে একটিতে বিস্ফোরক দাবি করেন এক মহিলা। তিনি দাবি করেন, সাদা কাগজে সই করিয়ে পরে সেখানে ধর্ষণের অভিযোগ লেখানো হয়েছিল এবং তা করিয়েছিলেন এই পিয়ালি দাস। সন্দেশখালির আন্দোলনের অন্যতম মুখ পিয়ালি দাসকে সেই ঘটনাতেই তলব করা হয়। কিন্তু হাজিরা না দিয়ে বসিরহাটের মহকুমা আদালতে আত্মসমর্পণ করেন মাম্পি।
