এইমস হাসপাতালে চাকরি করে দেওয়ার নাম করে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ ছিল ওই তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ধৃতদের রবিবার আদালতে তোলা হলে বিচারক ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। মিথ্যে চাকরি দেওয়া এই প্রতারণা চক্রের সঙ্গে আরও বড় মাথা জড়িয়ে আছে কিনা তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
তবে, কল্যাণী এইমসে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার ঘটনা এই নতুন নয়। এর আগেও একাধিকবার এইমসে চাকরি দেওয়ার নাম প্রতারণার দায়ে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। গত এপ্রিল মাসে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ জমা পড়ে হুগলি জেলার হরিপাল থানায়। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। এরপরেই বাপ্পা রাউত নাম এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে জেরা করে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত দীপক দাস নামে আরও এক ব্যক্তিকে দুর্গাপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও দুই প্রতারকের খোঁজ পাওয়া যায়। এম ডি বাসার ও সুপ্রিয় বিশ্বাস নামে দুজনকে তমলুক ও রানাঘাট থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোটা রাজ্য জুড়ে প্রতারণার একটি জাল বিছিয়ে ছিল তারা। ধৃতদের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল নিয়োগপত্র সম্পর্কিত বেশ কিছু জাল নথি, ভুয়ো নিয়োগপত্র, দুটি মোবাইল সহ একটি চার চাকার গাড়ি। অভিযুক্তরা নিজেদের কল্যাণী এইমসের কর্মচারী এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত আছে বলে পরিচয় দিয়ে এই প্রতারণা চালাতো।
