উল্লেখ্য, প্রচার শুরুর আগেই ঘাটালের এই জাগ্রত মন্দিরে পুজো দেন দেব। জয়ের হ্যাটট্রিক ধরে রেখে ফের একবার মায়ের স্মরণাপন্ন ঘাটালের অভিনেতা সাংসদ। এবারে প্রথম দিকে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন দেব। রাজনীতি থেকে বেরিয়ে যাওয়া পাশাপাশি এবার লোকসভা নির্বাচনে না লড়াইয়ের ব্যাপারে খবর শিরোনামে উঠে আসে।
কিন্তু, বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা হওয়ার পরেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় এবং দলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। আলোচনা হয় ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে। তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়, কেন্দ্রীয় সরকার সাহায্য না করলে এই প্রকল্প রূপায়ন করতে উদ্যোগী হবে রাজ্য সরকারই। এই প্রকল্প গড়ার আশ্বাস পেয়ে ফের ভোটের ময়দানে নামেন দেব।
দেবের উল্টোদিকে বিজেপির তরফে দাঁড় করানো হয়েছিল আরেক অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে। প্রচারের শুরু থেকেই লাগাতার দেবকে নানা অভিযোগে আক্রমণ করতে শুরু করেন হিরণ। কিছুক্ষেত্রে সেই আক্রমণের মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। তবে, স্বভাবসিদ্ধভাবে বরাবরই সৌজন্যতার রাজনীতি করে এসেছেন দেব। তাঁর সেই সৌজন্যের রাজনীতির পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে ঘাটালাবাসী। ফের তাঁকে বিপুল ভোটে জয়ী করল ঘাটাল।
