তিনি রাজ্য বিজেপি সভাপতি পদে থাকাকালীন একুশের নির্বাচন হোক বা ২৪-এর লোকসভা, বঙ্গে বিজেপি সেভাবে ‘আহামরি’ কোনও ফলাফল করেনি। এমনকী, সাফল্যের যে ‘বেঞ্চমার্ক’ তাঁর ‘সিনিয়র’ তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ তৈরি করে গিয়েছিলেন, তা টপকাতে পারেননি সুকান্ত, এমনই দাবি রাজনৈতিক মহলের একাংশের।
মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নাকি রাজ্য বিজেপির ভার সামলানো, কোন বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিতে চান সুকান্ত? এই নিয়ে তিনি একটি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘চেয়ার কারও স্থায়ী নয়। পছন্দ অপছন্দের জায়গা নেই। দলে যখন এসেছি যা বলবে তাই করব।’ তবে রাজ্যের দিকে অতিরিক্ত নজর যে থাকবে, এই দাবি করেছেন তিনি।
২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বাংলা থেকে বিজেপির দুই জন সাংসদ হয়েছিলেন। সুরেন্দ্র সিংহ অহলুওয়ালিয়া এবং বাবুল সুপ্রিয়। তাঁদের প্রতিমন্ত্রী করেছিলেন নরেন্দ্র মোদী। পরবর্তীতে অবশ্য বাবুল তৃণমূল যোগদেন। এখন তিনি রাজ্যের মন্ত্রী। ২০১৯ সালে বাংলা থেকে ১৮টি আসন পেলেও কাউকে পূর্ণমন্ত্রী করা হয়নি। দেবশ্রী চৌধুরীকে মন্ত্রীসভার সদস্য করা হলেও একুশের জুলাই মাসে তাঁকে সরানো হয়। এরপর জন বার্লা, নিশীথ প্রামাণিক, সুভাষ সরকার এবং শান্তনু ঠাকুরকে মন্ত্রী করা হয়।
এবারে ফলাফল তুলনামূলক খারাপ। সেক্ষেত্রে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বাংলার কতজন নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে চলেছেন? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিলই। এরই মধ্যে সুকান্ত মজুমদারের এই বক্তব্যগুলি বারংবার জল্পনা বাড়িয়ে দিচ্ছে। ইতিমধ্যেই তাঁর মন্তব্য নিয়ে রাজ্য রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
