তবে, দক্ষিণবঙ্গের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর দিয়েছে হাওয়া অফিস। পূর্ব থেকে পশ্চিম একটি অক্ষরেখা রয়েছে উত্তরপ্রদেশ থেকে মেঘালয় পর্যন্ত। সেটি আসাম ও উত্তরবঙ্গের উপর দিয়ে গিয়েছে। এছাড়াও একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে পূর্ব বিহার ও উত্তরবঙ্গের উপরে। মূলত এর টানেই বর্ষা আসছে। ৩১ শে মে থেকে ইসলামপুরের উপরেই অবস্থান করছিল দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু।
দক্ষিণবঙ্গে আগামী পাঁচ দিন থেকে সাত দিনের মধ্যে ঢুকবে বর্ষা। আগামী ১৮ই জুন থেকে ২০ জুনের মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করতে পারে বলে অনুমান আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের। আজ ভারতের মৌসম ভবন জানিয়েছে আগামী চার পাঁচ দিনের মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু উত্তরবঙ্গের বাকি অংশ এবং দক্ষিণবঙ্গের কিছু অংশে ঢুকে পড়বে। অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার এর মধ্যে আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি বর্ষা ঢোকার প্রবল সম্ভাবনা।
রবিবার ও সোমবার দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর সঙ্গে ঝড়ের গতিবেগ ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার এবং বৃষ্টির পরিমাণ আরো একটু বাড়বে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার ফেয়ারলি ওয়াইড স্প্রেইড রেইন এর সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গে। বুধবার থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলাতে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। উত্তরবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করে ইতিমধ্যে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত চলছে একাধিক জেলায়। এদিকে, দক্ষিণে গলদঘর্ম অবস্থা। এবার পরিস্থিতির কিছুটা পরিবর্তন হবে বলেই আশা করা হচ্ছে।
