Jhargram Ramkrishna Saradapith Jb Primary School Head Mistress Sits On Agitation In Front Of School


এই সময়, ঝাড়গ্রাম: প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব হস্তান্তর করছেন না স্কুল কর্তৃপক্ষ। তাই স্কুলের মেন গেটের বাইরে রাস্তার পাশে চেয়ার-টেবিল নিয়ে কার্যত ধর্নায় বসেছেন প্রধান শিক্ষিকা। ঝাড়গ্রাম শহরের পুরাতন ঝাড়গ্রামে অবস্থিত শ্রীরামকৃষ্ণ সারদাপীঠ জে বি প্রাইমারি স্কুলের ঘটনা।গত ৮ মার্চ ঝাড়গ্রাম জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ থেকে শ্রীরামকৃষ্ণ সারদাপীঠ জে বি প্রাইমারি স্কুলে প্রধান শিক্ষিকা পদে নিয়োগপত্র পান কমলা বেরা। কিন্তু তিনি স্কুলে গেলেও তাঁকে যোগদান করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। বিষয়টি ডিপিএসসির চেয়ারম্যান, এসআই, স্থানীয় বিধায়ক এবং জেলাশাসককে লিখিত ভাবে জানান তিনি।

কেন নিয়োগে বাধা দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকদের কাছে রিপোর্ট তলব করেছিলেন তৎকালীন ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক। এর পর ২১ মার্চ ঝাড়গ্রাম জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের সভাপতি জয়দীপ হোতা তাঁর অফিসে প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কমলা বেরাকে নিয়োগ করান। কিন্তু এর পরে গরমের ছুটি পড়ে যাওয়ায় আর স্কুলে যেতে পারেননি কমলা। গত ১০ জুন স্কুল খোলার পরে ফের যান তিনি। কিন্তু তাঁকে স্কুল থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তাঁর।

কমলা বলেন, ‘স্কুলের ট্রাস্টি বোর্ডের এক সদস্য আমাকে জানান, আমাদের স্কুল খুব শিগগিরই স্বায়ত্তশাসন পাবে। তাই প্রধান শিক্ষিকা পদে নিয়োগ করা হচ্ছে না। বিষয়টি ডিআই এবং চেয়ারম্যানকে জানিয়েছি। কিন্তু স্কুলটি এখনও সরকারি ভাবে ডিপিএসসির অধীনেই রয়েছে। স্কুলের শিক্ষিকাদের নিয়োগ ও বেতন সেখান থেকেই হয়।’

এদিনও সকাল থেকে স্কুলের সামনে গিয়ে রাস্তার পাশে বসেছিলেন প্রধান শিক্ষিকা কমাল বেরা। টেবিলের সামনে নেমপ্লেট এবং টেবিলের সামনে সাদা কাগজে সবুজ কালিতে লেখা ধর্নার দিনসংখ্যা। টিচার-ইন-চার্জ চম্পা দোলই সরকারি নির্দেশকে অগ্রাহ্য করে কী ভাবে পদ আঁকড়ে বসে রয়েছেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। চম্পা দোলইয়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

ঝাড়গ্রাম জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের সভাপতি জয়দীপ হোতা বলেন, ‘স্কুল কর্তৃপক্ষকে ডাকলে তাঁরা অফিসে আসেন না। চিঠি গ্রহণ করছেন না। আমরা টিচার-ইন-চার্জকে একাধিকবার ডেকেছি। কিন্তু তিনি অফিসে দেখা করতে আসেননি। ওঁরা সম্পূর্ণ অসহযোগিতা করছেন।’

Primary School : ‘যেতে নাহি দিব’, শিক্ষকের বদলি আটকাতে স্কুলে তালা
ঝাড়গ্রাম জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক(প্রাথমিক) সোমেনচন্দ্র লাহা বলেন,‘এক্ষেত্রে চেয়ারম্যান সম্পূর্ণ ব্যবস্থা নেবেন। বিষয়টি নিয়ে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করেছি। যা ব্যবস্থা নেওয়া উচিত তা দ্রুত নেওয়া হবে।’

ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা বসু বলেন, ‘তিনি(শিক্ষিকা) আগেও একটি চিঠি দিয়েছিলেন। তখন ইলেকশন চলছিল। ব্যাপারটি আজ নজরে এসেছে। ডিআইয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে, যাতে ডিপিএসসি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে সে ব্যাপারে জানিয়েছি।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *