ফুটপাত চত্বরে যে সমস্ত খাবারের দোকানগুলি ছিল সেই খাবারের দোকানগুলিও খালি করার কথা বলা হয়েছে। পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়ে দিয়েছেন, আগামীকাল থেকে এই ফুটপাতে কোনও হকার বসবে না। যতক্ষণ না পর্যন্ত নতুন কোনও নির্দেশিকা আসছে, ততক্ষণ পর্যন্ত হকারদের বসতে মানা করে দেওয়া হয়।
যদিও, নিউ মার্কেটের রাস্তার ধারে থাকা হকারদের একাংশ ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন। তাঁদের দাবি, অনেকেরই ১৫ থেকে ২০ বছরের লাইসেন্স আছে। কলকাতা পুরসভা থেকে তাদেরকে এই ফুটপাতের উপরেই চিহ্নিত করে দিয়ে যাওয়া হয়েছে বসার জন্য। তারা সেই মতো প্রত্যেকটা দিন সুষ্ঠুভাবেই এই ফুটপাতের উপরে বসেন। এখন তাঁরা কোথায় যাবেন, সেই নিয়েই ক্ষোভ তাঁদের।
কলকাতা নিউমার্কেট হকার উচ্ছেদ অভিযানের বিষয় যদিও নয়। এর আগেও বহুবার নিয়ম বহির্ভূতভাবে হকারদের তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া চালানো হয়েছে। কলকাতা পুরসভা, কলকাতা পুলিশ এবং টাউন ভেন্ডিং কমিটির উদ্যোগে হকার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। নিউমার্কেটে ফুটপাথের একদিকে নির্দিষ্ট সংখ্যক হকারদের বসার ব্যাপরে আগেই সুস্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। গত বছর ডিসেম্বর মাসেও হকার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছিল।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সকাল থেকেই সল্টলেক থেকে কলকাতা সর্বত্রই হকার উচ্ছেদ অভিযানে নামে পুলিশ। একদিকে, বিধাননগর পুরসভার ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড এবং সেক্টর ফাইভ, কলেজ মোড়ে ফুটপাথ জুড়ে বসে থাকা হকারদের সরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এদিকে, গড়িয়াহাট, যদুবাবুর বাজার, ধর্মতলা, এসএসকেএম হাসপাতেলর কাছে হকারদের সরিয়ে দেওয়ার কাজ শুরু করে কলকাতা পুলিশ।
