তাঁর অভিযোগ, ‘যত বেআইনি পার্কিং রয়েছে, তার বেশিরভাগটা বিজেপির লোকের। আমাদের লোকেরাই টাকা নিয়ে ওদের হাতে তুলে দেয়।’ ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী পুলিশের উদ্দেশে বলেন, ‘যে-সে টাকা খেয়ে ইললিগ্যাল পার্কিং করে দিচ্ছে। স্ট্রেট বলে দাও, এটা কারও জমিদারি নয়।’
কলকাতায় কতগুলি বেআইনি পার্কিং রয়েছে, পুলিশের কাছে তার হিসেব চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু কলকাতা নয়, বিধাননগর, রাজারহাট-নিউ টাউন, আসানসোল-দুর্গাপুর, হাওড়ার বেআইনি পার্কিংয়ের হিসেবও তলব করেছেন তিনি। সেই জায়গাগুলিতে বৈধ পার্কিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায় কি না, জানতে চেয়েছেন তা-ও।
তিনি বলেন, ‘সম্ভব হলে সেগুলির টেন্ডার কেন্দ্রীয় ভাবে হবে। এটা মেয়র নিজে দেখবেন। এ জন্য একটি কমিটি তৈরি হবে। তারা ১৫ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেবে।’ এ কাজে পুরকর্তাদের পাশাপাশি পুলিশ আধিকারিকদেরও রাখতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন মমতা।
বৈধ পার্কিং ব্যবস্থা কেমন হতে পারে, সে বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি যেমন আলিপুরে ‘সম্পন্ন’ (সরকারি পার্কং জ়োন) করে দিয়েছি। সে রকম হাতিবাগান এরিয়ার দিকেও একটা করে দিলে… মানে দক্ষিণ-উত্তরের দিকে বহুতল বা ভূগর্ভস্থ পার্কিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায় কি না খতিয়ে দেখতে হবে।’ মুখ্যমন্ত্রী মনে করেন, কলকাতায় ‘সম্পন্ন’র মতো আরও চার-পাঁচটি পার্কিং জ়োন তৈরি হলে সমস্যা মিটবে।
পার্কিং প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগের জবাবে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘কয়লার টাকা, পার্কিংয়ের টাকা সবই যদি বিজেপি নেয়, তা হলে তো তিনি ব্যর্থ। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে তিনি যদি এটা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন, তা হলে তিনি ওই পদে রয়েছেন কেন?’
