Chandernagore Government College,ন্যাকের মূল্যায়নে A+ গ্রেড পেল চন্দননগর গভর্মেন্ট কলেজ – chandernagore government college receive a plus in naac ranking


রাজ্যের প্রথম সরকারি কলেজ হিসেবে ন্যাকের মূল্য মানে এ প্লাস গ্রেড পেল চন্দননগর গভর্মেন্ট কলেজ। সেমিনার হলে ন্যাকের প্রতিনিধি গৌতম গঙ্গোপাধ্যায়, আইকিউএসইর কো অর্ডিনেটর দীপান্বিতা মজুমদার সার্টিফিকেট তুলে দেন কলেজ কর্তৃপক্ষের হাতে।কলেজ অধ্যক্ষ দেবাশিস সরকার বলেন, ‘গত ২৫-২৬ জুন, ২০২৪ চন্দননগর মহাবিদ্যালয়ে ন্যাক-এর মূল্যায়ণকারী দলের সদস্যরা উপস্থিত হয়েছিলেন। চন্দননগর মহাবিদ্যালয় তৃতীয় দফার (NAAC) মূল্যায়ণে ৩.৪৬ মান সহ A+ গ্রেড পেয়েছে। সর্বভারতীয় স্তরে, ১৯৯৪ সালে এই মূল্যায়ণ শুরু হওয়ার পর, এটিই এখনও পর্যন্ত আমাদের রাজ্যে কোনও সরকারি কলেজের সর্বাধিক গ্রেড নম্বর।’

বিগত দুটি দফায়, ২০০৭ এবং ২০১৬ সালে, এই মহাবিদ্যালয় B++ গ্রেড পেয়েছিল। সর্বভারতীয় স্তরে AISHE নথিভুক্ত প্রায় পঞ্চাশ হাজার কলেজের মধ্যে ১%-এরও কম কিছু কলেজ এখনও পর্যন্ত A+ গ্রেড পেয়েছে।

চন্দননগর গভর্মেন্ট কলেজ প্রথমে এই রূপে ছিল না। ফরাসি আমলে তৈরি হওয়া একটি প্রাথমিক স্কুল ক্রমবিবর্তনের ধাপ অতিক্রম করে আজকের এই কলেজ তৈরি হয়েছে। ১৯৪৮ সালে এই কলেজের নামকরণ করা হয় চন্দননগর মহাবিদ্যালয়। বিপ্লবী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে দীর্ঘ ২৩ বছর (১৯০৮-১৯৩১) বন্ধ ছিল এই প্রতিষ্ঠান। ১৯৫৪ সালে ২ অক্টোবর থেকে এই মহাবিদ্যালয় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চ শিক্ষা দফতরের পরিচালনাধীন। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে ১৯টি বিভাগে স্নাতক স্তরের ও ৩টি বিভাগে স্নাতকোত্তর স্তরের পঠনপাঠন চলছে।

কলেজের সঙ্গে বহু ইতিহাস জুড়ে রয়েছে। চন্দননগর কলেজ মিউজিয়ামটি প্রতিষ্ঠা হয় ২০২৩ সালে। দেশ বিদেশের বহু পর্যটক প্রতিদিন সেখানে আসেন। জানা গিয়েছে, এই কলেজে বহুজাতিক সংস্থাও আসে ক্যাম্পাসিংয়ের জন্য। স্বাভাবিকভাবেই ন্যাকের এই শংসাপত্র পাওয়ার পর খুশির হাওয়া পড়ুয়াদের মধ্যে। খুশি অধ্যাপকরাও।

এই কলেজের পড়ুয়াদের কথায়, ‘নিয়মিত ক্লাস থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক কাজকর্মেও সঙ্গেও ছাত্রছাত্রীরা জড়িয়ে থাকেন। কেরিয়ারের জন্যও অধ্যাপকরা সাহায্য করেন। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা বা কেউ যদি চাকরি করতে চান সেক্ষেত্রে কলেজের তরফে সাহায্য পাওয়া যায়। মোটের উপর একটি কাঠামো তৈরি করে দেয় কলেজ, যা আগামীদিনে পড়ুয়াদের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী হয়।’ আর্টস, কমার্স এবং সায়েন্স পড়ানো হয় চন্দননগরের এই কলেজে। ১৬২ বছরের বেশি পুরনো এই কলেজের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একাধিক ইতিহাস।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *