ওড়িশার পাশাপাশি এ রাজ্যেও মহাসমারোহে পালিত হচ্ছে রথযাত্রা উৎসব। রীতি মেনে রথের সকালেই মল্ল গড়ে রথের দড়িতে পড়ল টান। বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের এই রথ উৎসব প্রায় ৩৫০ বছরের বেশি প্রাচীন। এই রথ উৎসবে সামিল হতে হাজির এলাকাবাসী। সঙ্গে সঙ্গে বহু দূরদুরান্ত এমনকী অন্যান্য জেলা থেকেও মদনগোপাল জিউয়ের ভক্তরা এই উৎসবে সামিল হতে হাজির হয়েছেন। ১৬৬৫ সালে বিষ্ণুপুরের মল্ল রাজা বীর মল্ল বিষ্ণুপুর শহরের মাধবগঞ্জে রানি শিরোমণি দেবীর ইচ্ছা অনুযায়ী পাথরের পাঁচ চূড়া মন্দির নির্মাণ করেন। মন্দিরের বিগ্রহ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত রাধা মদন গোপাল জিউ। এই মন্দিরের অনুকরণের তৈরি করা হয় পিতলের রথ। মল্লরাজাদের সময় থেকেই এই রথ উৎসবের সূচনা হয়। বর্তমানে এই উৎসব পরিচালনা করেন মাধবগঞ্জ ১১ পাড়া রথ উৎসব কমিটি। এই রথের বিশেষত্ব এখানকার রথে জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা সওয়ার হন না। রথে সওয়ার হন রাধা মদন গোপাল জিউ। সকাল থেকে রথের মধ্যে চলে পুজো-অর্চনা ও আরতি। এরপর শুরু হয় রথের রশিতে টান দেওয়ার পর্ব।