New Barrackpore,ধার শোধ করতে না পারায় নিউ ব্যারাকপুরের বাসিন্দাকে অপহরণ! পুলিশের জালে ৩ – one man from new barrackpore reportedly kidnaped by goons


৩৪ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন নিউ ব্যারাকপুরের বাসিন্দা পূর্ণেন্দু ঘোষ। কিন্তু, এই টাকা ধার নেওয়ার কারণে তাঁর জীবন যে তোলপাড় হতে চলেছে তা কোনওদিন ভাবেননি তিনি। টাকা শোধ দিতে না পারায় তাঁকে অপহরণ করে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, তাঁকে একটি বাড়িতে আটকে রেখে বেধড়ক মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে এবং পরিবারের হাতে তুলে দেয়।ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার নিউ ব্যারাকপুর থানা এলাকায়। পরিবার সূত্রে খবর, নিউ ব্যারাকপুরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ তালপুকুরের বাসিন্দা পূর্ণেন্দু ঘোষ। বিরাটির এক ব্যক্তির থেকে ৩৪ হাজার টাকা এবং পরে ১৫ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন তিনি। ১৫ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও ৩৪ হাজার টাকা দিতে পারেননি তিনি।

অভিযোগ, শনিবার দুপুরে তাঁকে বাড়ি থেকে তিন জন তুলে বিরাটিতে নিয়ে যান। সেখানে নবনগরের পাশে মাঠে নিয়ে গিয়ে ব্যাপক মারধর চলে। পরবর্তীতে তার পরিবারকে জানানো হয় সাড়ে তিন লাখ টাকা না দিলে পূর্ণেন্দুকে ছাড়া হবে না। শনিবার রাতে তাঁর পরিবার নিউ ব্যারাকপুর থানার দ্বারস্থ হয়। এরপরেই থানার ওসি পুলিশ বাহিনী পাঠিয়ে বিরাটি এলাকায় থেকে উদ্ধার করে পূর্ণেন্দুকে। জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় তিন অভিযুক্ত রবীন্দ্রনাথ সাহা,দিলীপ চক্রবর্তী এবং তাপস চক্রবর্তীকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে।

আপাতত সুস্থ রয়েছেন পূর্ণেন্দু ঘোষ। তিনি বলেন, ‘আমি ৩৪ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলাম। তার আগে ১৫ হাজার টাকা ধার নিই। ওই টাকা আমি শোধ দিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু, ৩৪ হাজার টাকা দিতে পারিনি। এই জন্য কিছুটা সময় চেয়েছিলাম। তার মধ্যেই এই ঘটনা ঘটল।’

তিনি জানান, শনিবার তাঁর বাড়িতে আসে তিন জন। তাঁরাই জোর করে তুলে নিয়ে যায় পূর্ণেন্দুকে। তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে একটি মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং সেখানে মারধর করা হয়েছিল ব্যাপকভাবেই। আমার পরিবারের থেকে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণও চাওয়া হয়। ওরাই এই ঘটনার বিষয়ে থানায় খবর দেয়।’

তদন্তে নেমে পুলিশ ওই তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। অন্যদিকে, ঘটনার জেরে আতঙ্গে রয়েছেন পূর্ণেন্দুর পরিবারের সদস্যরা। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছেন তাঁরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *