উল্লেখ্য, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রেয়াত হোসেন সরকার উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন। তাঁদের শপথগ্রহণ নিয়ে রাজ্য-রাজ্যপাল টানাপোড়েন দেখা গিয়েছিল। রাজ্যপাল তাঁদের শপথগ্রহণের জন্য ডেপুটি স্পিকারকে অনুমতি দিয়েছিলেন। কিন্তু, স্পিকারের উপস্থিতিতে তাঁদের শপথগ্রহণ করাতে রাজি হননি তিনি। এরপর বিশেষ অধিবেশনে এই দুই জয়ী প্রার্থীকে শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার।
এরপর সুপ্তি পাণ্ডে, কৃষ্ণ কল্যাণী, মুকুটমণি অধিকারী এবং মধুপর্ণা ঠাকুরের শপথগ্রহণ নিয়েও রাজ্য এবং রাজভবন টানাপোড়েন শুরু হয়েছিল। কিন্তু, সোমবারই স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, মঙ্গলবার শপথগ্রহণ করবেন তাঁরা। যদিও বিজেপি দাবি করে, সংবিধান মেনে শপথগ্রহণ হচ্ছে না। তবে বিরোধী দলের এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন শপথগ্রহণ বিতর্কে সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘যথাযথভাবে শপথ গ্রহণ করেছেন চার জন। সকলেই ভালো করে কাজ করুন। স্পিকারকে ধন্যবাদ। আপনাকে অনেক উদ্বেগের মধ্যে থাকতে হয়েছে। আপনার এই দায়িত্বগ্রহণ আগামীদিনের সম্বল হয়ে থাকবে।’ পাশাপাশি লোকসভা নির্বাচনে জনগণের রায়ের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এনডিএ যেখানে ৪৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে সেখানে ইন্ডিয়া জোট পেয়েছে ৫১ শতাংশ ভোট। মতদানকারীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।
এদিন শপথগ্রহণের পর বঙ্গ বিধানসভায় কনিষ্ঠতম সাংসদ হলেন মধুপর্ণা। তিনি বাগদার মানুষকে ধন্যবাদ জানান। সুপ্তি পাণ্ডে জানান, মানুষের জন্য কাজ করতে চান তিনি। তাঁদের আপদে বিপদে পাশে থাকতে চান।
