জানা যায়, অসুস্থ যুবকের ভাই খাবার নিয়ে ঢুকতে গেলে বাধা দেয় হাসপাতালের নিরাপত্তা রক্ষীরা। এরপরেই দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। সুশান্ত কুমার বালার এই ভাইকে এক নিরাপত্তারক্ষী মারধর করে বলে অভিযোগ। এরপরেই নিজের ভাইকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন সুশান্ত কুমার বালা। তখন তাঁকেও মারধর করা হয়ে বলেও অভিযোগ। মারধরের কারণে সুশান্ত কুমার বালার মুখের একটি অংশে গভীর চোট লাগে।
সুশান্ত বলেন, ‘আমার ভাইকে ভর্তি করা হয়েছিল হাসপাতালে। তাঁকে দেখতে এসেই আমার এই অবস্থা হল।’ অন্যদিকে, পাল্টা নিরাপত্তারক্ষীরা সুশান্ত কুমার বালার পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে। নিরাপত্তারক্ষীদের হেনস্থা করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তাঁরা।
তবে, দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা হাসপাতাল চত্বরে। ঘটনায় খবর দেওয়া হয়েছিল কল্যাণী থানায়। পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিষয়টি নিয়ে হাসপাতালের সুপার আশিস মৈত্র বলেন, ‘আমাদের কোনও কর্মীর সঙ্গে ঝামেলা হয়নি। একটি নির্দিষ্ট এজেন্সির মাধ্যমে এখানে কিছু সিকিউরিটি গার্ড নিযুক্ত ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে এখানে রোগীর পরিবারের সদস্যদের একটি ঝামেলা হয়।’ তিনি জানান, নিরাপত্তারক্ষীদের নির্দিষ্টি নির্দেশিকা দেওয়া ছিল। নির্দিষ্ট কার্ড না দেখিয়ে দু’জনের বেশি দেখা করতে দেওয়া যাবে না রোগীর সঙ্গে। নির্দেশিকা অনুযায়ী কাজ করেছিল নিরাপত্তারক্ষীরা বলেই দাবি করেছেন তিনি।
