এলাকাবাসীর দাবি, গত চার বছর ধরেই সামশেরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন দেখা যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বালির বস্তা ফেলে ভাঙন রোধ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু, তা সফল হয়নি। আপাতত ভাঙন কবলিত বাড়ির বাসিন্দাদের স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
সামশেরগঞ্জের বিডিও সুজিত চন্দ্র লোধ জানান, যখন আমাদের কাছে এই গঙ্গা ভাঙনের খবর আসে সেই সময় থেকে একটি টিম পাঠানো হয়েছে। যাঁরা গৃহহীন তাঁদের থাকার, খাবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সকলকে কম্বল দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১০টি বাড়ি নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে বলে জানান তিনি। আরও প্রায় ২৫টি বাড়ির বাসিন্দারা আতঙ্গে গৃহহীন হয়েছেন। এদিন গঙ্গা ভাঙনের খবর পেয়ে এলাকায় যান মশেরগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য রফিকুল আলম, চাচন্ড গ্রাম পঞ্চায়েত প্রতিনিধি গোলাপ হোসেন সহ অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। তাঁদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা।
সামশেরগঞ্জের বিধায়ক আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘আপাতত দুর্গতদের একটি স্কুলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ব্লক প্রশাসন ও তৃণমূলের পক্ষ থেকে তাঁদের খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গৃহহীনদের স্থায়ী বসবাসের জায়গা দেওয়ার বিষয়ে ভাবনা চিন্তা করা হচ্ছে।’ মুর্শিদাবাদের জেলা প্রশাসক রাজশ্রী মিত্র বলেন, ‘স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে গোটা বিষয়টির উপর নজর রাখতে। প্রয়োজনে ভাঙন রোধে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ডাকা হবে।’
