Kolkata Police : নির্যাতিতার নাম-পরিচয় ফাঁস, আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মামলা পুলিশের – kolkata police lodged case against rg kar hospital ex principal sandip ghosh


আরজি কর হাসপাতালে নিহত তরুণী চিকিৎসকের নাম-পরিচয় ফাঁসের অভিযোগ উঠল মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে। বিবৃতি দেওয়ার সময় তাঁর নাম-পরিচয় প্রকাশের আনার অভিযোগ উঠল তাঁর বিরুদ্ধে। সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করল কলকাতা পুলিশ।কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, চলতি সপ্তাহেই তাঁকে নোটিস দেওয়া হতে পারে। ইতিমধ্যেই চিকিৎসক ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় সিবিআইয়ের জেরার মুখোমুখি হয়েছেন সন্দীপ ঘোষ। তার মাঝেই সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ কলকাতা পুলিশের। ফলত, জোড়া চাপে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ।
ইতিমধ্যেই আরজি কর হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত করতে সোমবার চার সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করা হয়েছিল। প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের আমলের আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে সিট গঠন করা হয়েছে।

RG Kar Protest : ‘আমাদের কোনও রং নেই’, আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে শিল্পীরা

স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয় , স্বামী বিবেকানন্দ রাজ্য পুলিশ অ্যাকাডেমির ইনস্পেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ তথা আইপিএস অফিসার প্রণব কুমারের নেতৃত্বে সিট গঠিত হয়েছে। দলে আছেন মুর্শিদাবাদ রেঞ্জের ডিআইজি ওয়াকার রাজা, ডিআইজি সিআইডি সোমা দাস মিত্র এবং কলকাতা পুলিশের (সেন্ট্রাল) ডেপুটি কমিশনার ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়। আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত করে সরকারের কাছে একমাসের মধ্যে রিপোর্ট দেবে এই কমিটি।

রাজ্যপালকে চাপ দিয়ে কি রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ! প্রশ্ন তৃণমূলের
আরজি কর কাণ্ড নিয়ে তদন্ত করছে সিবিআই। গত শুক্রবার থেকে সন্দীপ ঘোষকে তলব করেছে সিবিআই। সন্দীপকে প্রায় ৫০ ঘণ্টার বেশি সময় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। দফায় দফায় সন্দীপ ঘোষকে সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে পাঠানো হয়েছে। এমনকী, তাঁর বয়ানের সঙ্গে একাধিক সাক্ষীর বয়ানে অমিল রয়েছে বলেও সিবিআই সূত্রে খবর। ঘটনাটি কি কোনওভাবে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল? সেই সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেন সন্দীপ ঘোষ। সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে এর আগে একাধিক অভিযোগ তুলেছিলেন আরজি করের জুনিয়র ডাক্তাররা। এমনকী, তাঁর আমলে আরজি করে কাজের অভিজ্ঞতা মৃত মহিলা চিকিৎসকের খুব একটা সুখকর ছিল না বলেই জানিয়েছিলেন তরুণীর মা-বাবাও।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *