দার্জিলিং চিড়িয়াখানায় নতুন অতিথির আগমন। জন্ম নিয়েছে ৪টি রেড পান্ডা ও ২টি স্নো লেপার্ড। ছয়টি শাবক সুস্থ আছে বলেই জানিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। তাদেরকে বর্তমানে চিড়িখানা থেকে কিছুটা দূরে জাল দিয়ে ঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে রাখা হয়েছে।একদিকে; যখন শিলিগুড়ির বেঙ্গল সাফারি পার্কে সিংহ দম্পতি কয়েক মাস আগেই পা রেখেছে। পুজোর পর তাঁদের দেখার সুযোগ মিলতে পারে। তখনই পাহাড়ে নতুন অতিথিদের আগমন। দার্জিলিঙের পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুলজিক্যাল পার্ক(দার্জিলিং চিড়িয়াখানা) জন্ম নিল একসঙ্গে নতুন ছয় সদস্য।
নতুন অতিথিদের আগমনে বেজায় খুশি চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। প্রায় একমাস আগে নতুন অতিথিরা এলেও এতদিন তাদের স্বাস্থ্যের উপর নজর রাখা হয়। বিপদসীমা কেটে যাওয়ার পর তাদের ব্যাপারে জানানো হয়েছে। দার্জিলিং চিড়িয়াখানার ডিরেক্টর বাসবরাজ হোলেইয়াচি বলেন, ‘নতুন সদস্যদের আগমনে আমরা সত্যি খুশি। প্রত্যেকেই সুস্থ রয়েছে। তাদের উপর নজর রাখা হয়েছে। চিকিৎসকেরাও দেখভাল করছেন।’
নতুন অতিথিদের আগমনে বেজায় খুশি চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। প্রায় একমাস আগে নতুন অতিথিরা এলেও এতদিন তাদের স্বাস্থ্যের উপর নজর রাখা হয়। বিপদসীমা কেটে যাওয়ার পর তাদের ব্যাপারে জানানো হয়েছে। দার্জিলিং চিড়িয়াখানার ডিরেক্টর বাসবরাজ হোলেইয়াচি বলেন, ‘নতুন সদস্যদের আগমনে আমরা সত্যি খুশি। প্রত্যেকেই সুস্থ রয়েছে। তাদের উপর নজর রাখা হয়েছে। চিকিৎসকেরাও দেখভাল করছেন।’
জানা গিয়েছে, দার্জিলিং চিড়িয়াখানার তোপকেদাড়া প্রজনন কেন্দ্রে চারটি রেড পান্ডা এবং দুটি স্নো লেপার্ডের জন্ম হয়েছে। জুলাই মাসের শেষের দিকে রেড পান্ডার চার শাবকের জন্ম হয়। সেই সময়েই স্নো লেপার্ড রাহানা দুটি শাবকের জন্ম দিয়েছে। নতুন সদস্যদের আগমনে বর্তমানে চিড়িয়াখানায় রেড পান্ডার সংখ্যা দাঁড়াল ১৯ টি। স্নো লেপার্ডের সংখ্যা বেড়ে দাড়াল ১১ টি। এর আগে ২০২৩ সালে একসঙ্গে পাঁচটি তুষার চিতার জন্ম হয়েছিল। প্রসঙ্গত, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে দার্জিলিং চিড়িয়াখানাতেই একমাত্র 30 বছর ধরে সাফল্যের সঙ্গে রেড পান্ডা এবং স্নো লেপার্ডের প্রজনন প্রক্রিয়া চলছে ৷
