মৃত তরুণীর কাকিমা বলেন, ‘২৫ দিন ধরে যেসব পড়ুয়া চিকিৎসক ও ডাক্তাররা আন্দোলন করছেন, সন্দীপ ঘোষের গ্রেপ্তার হওয়া তাঁদের নৈতিক জয়। নৈতিক জয় আমাদের পরিবারেরও। আমাদের মনে হচ্ছে, বিচার ঠিক পথেই এগোচ্ছে এবং আমরা সুবিচার পাবই। আমাদের এও মনে হচ্ছে এই ঘটনার পিছনে যে সমস্ত রাঘব বোয়ালরা আছে তারা ঠিক সময় গ্রেফতার হবে।
‘তিনি আরও জানান, তাঁদের পরিবারের মেয়ে দুর্নীতির শিকার হয়েছেন। সন্দীপ ঘোষের গ্রেপ্তার হওয়ায় কিছুটা হলেও স্বস্তি মিলেছে। কিন্তু তাতে নির্যাতিতার আত্মা শান্তি পায়নি। যেদিন এই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকে ফাঁসিকাঠে ঝুলবে বা চরম শাস্তি পাবে সেই দিন বলা যাবে মৃত তরুণীর আত্মা শান্তি পাবে।’
নির্যাতিতার প্রতিবেশীরা জানান, আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন। কিন্তু তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনাতেও যারা জড়িত তারা যতক্ষণ না গ্রেপ্তার হচ্ছে ততক্ষণ প্রতিবেশীদের স্বস্তি মিলবে না।
