রাত দখল কর্মসূচির মধ্যেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠল প্রশ্ন! ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে হেনস্থার সেই ভিডিও (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি এই সময় অনলাইন)। ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, পুলিশ টেনে হিঁচড়ে জাতীয় সড়ক থেকে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে আন্দোলনকারীদের। তাঁদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হচ্ছে।
অভিযোগ, পুলিশ প্রতিবাদীদের সঙ্গে ‘অমানবিক’ আচরণ করেছে। এই ছবি সামনে আসতেই নিন্দার ঝড় উঠেছে সমাজের বিভিন্ন মহলে। পুলিশ কর্তাদের দাবি, দীর্ঘক্ষণ অবস্থান বিক্ষোভের কারণে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে যান চলাচল একেবারে বন্ধ হয়ে পরে। এরপরই, বিক্ষোভকারীদের অবস্থান তুলে নেওয়ার প্রস্তাব দেয় বারাসত জেলা পুলিশ।
কিন্তু আন্দোলনকারীরা পুলিশের প্রস্তাব না মেনে অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে যান। গভীর রাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছন বারাসতের এসডিপিও, থানার ওসি ও পুলিশের বড় বাহিনী। আনা হয় মহিলা পুলিশও। জাতীয় সড়কে আটকে থাকা ট্রাক চালকরাও পুলিশকে জানান, যান চলাচল স্বাভাবিক করতে। না হলে ট্রাকে থাকা কাঁচা সবজি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
পুলিশ আন্দোলনকারীদের জানায়, যানবাহন চলাচলের জন্য রাস্তার একদিক খালি করে দিতে। এ নিয়েই পুলিশের সঙ্গে বচসা ও ধস্তাধস্তি বাধে আন্দোলন কারীদের। আন্দোলনকারীদের বেশ কয়েকজনকে টানা হেঁচড়া করে তোলা হয় প্রিজন ভ্যানে। তাতে উত্তেজনা বাড়ে।
পুলিশের অভিযোগ আন্দোলনকারীরা মহিলা পুলিশদের উদ্দেশে কটুক্তি করছিলেন। ঘটনায় পাঁচ মহিলা-সহ ১৮ জনকে গ্রেফতার করে বারাসত থানার পুলিশ। প্রতিবাদে দীর্ঘ সময় জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। বারাসত পুলিশ জেলার অতিরিক্ত সুপার স্পর্শ নীলাঙ্গী জানান, পুলিশের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার জন্য ১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।