Bowbazar Metro Station,মেট্রোর সুড়ঙ্গে জল, ফের বিপত্তি বউবাজারে, স্টেশনেই বিক্ষোভের মুখে আধিকারিকরা – water in metro tunnel bowbazar people protest in central metro


ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পের কাজে বউবাজারে ফের বিপত্তি। দুর্গা পিতুরি লেনে মাটির তলা থেকে আবার জল বেরোচ্ছে। আতঙ্কে এলাকার বাসিন্দাদের। পাঁচটি বাড়ির বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন কেএমআরসিএল-এর আধিকারিকররা। তাঁদের ঘিরে বিক্ষোভও দেখান এলাকার সন্ত্রস্ত বাসিন্দারা। স্থানীয় কাউন্সিলর এবং কলকাতা পুরসভার আধিকারিকরাও এলাকায় গিয়েছেন।এই ঘটনায় দুর্গাপিতুরি লেনের বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। কেএমআরসিএল-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ১ সেপ্টেম্বর থেকে পূর্বমুখী টানেলের সঙ্গে ক্রস প্যাসেজ সংযোগের কাজে ভাল ভাবেই শেষ হয়েছে। বুধবার রাত ১০টা নাগাদ মুচিপাড়া থানা এলাকায় ‘এগ্রেস শ্যাফ্‌ট’ বা বিশেষ উদ্ধার পথের একটি সেকেন্টপিল প্রাচীর কাটা হয়। সেই সময় জল ঢোকার বিষয়টি নজরে আসে।

এরপরেই তড়িঘড়ি কয়েকটি বাড়ির বাসিন্দাদের সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। এলাকার ৫টি বাড়ি থেকে ৫২ জনকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হোটেলে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাঁদের বাসস্থান ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

মেট্রো সূত্রে খবর, ৪৮ ঘণ্টা পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হবে। তারপর বাসিন্দাদের ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।

প্রসঙ্গত, বাড়িতে ফাটল ধরার ঘটনা বউবাজার এবং দুর্গা পিতুরি লেনে এই প্রথম নয়। এর আগে ২০১৯ সালে ৩১ অগস্ট বউবাজারে দুর্গাপিতুরি লেনে একাধিক বাড়িতে ফাটল ধরেছিল। এসপ্ল্যানেড থেকে শিয়ালদহ যাওয়ার জন্য কেএমআরসিএল-এর ইস্ট-ওয়েস্ট প্রকল্পের গতি ধাক্কা খায় বউবাজারে। টানেল বোয়িং মেশিন দিয়ে সুড়ঙ্গ কাটার সময় ঘটে বিপত্তি। একাধিক বাড়িতে ধরে ফাটল। বউবাজারের দুর্গা পিতুরি লেন এবং স্যাকরাপাড়া লেনের ৭৪টি বাড়ি থেকে বাসিন্দাদের সরানো হয়েছিল অন্যত্র।

Kolkata Metro: রবিবারও মেট্রো চলল গঙ্গার নীচ দিয়ে, এবার থেকে নিয়মিত

এরপর ২০২২ সালের মে মাসে ফের একবার মেট্রোর কাজ চলাকালীন নতুন করে বউবাজারের কিছু বাড়িতে ফাটল দেখা যায়। শুক্রবার ফের একবার এই ঘটনায় কার্যত ক্ষোভে ফেটে পড়েন বউবাজার এলাকার বাসিন্দারা। এ দিন সেন্ট্রাল মেট্রো স্টেশনের মধ্যে প্রবেশ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বউবাজারের বাসিন্দারা। বিক্ষোভকারীদের কথায়, ‘আমরা সবসময় আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। কেন আমাদের বারবার এই ধরনের ঘটনার মধ্য দিয়ে যেতে হবে?’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *