ঠিক কী জানিয়েছে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট?
পুলিশ জানায়, গোপন সূত্রে তারা খবর পায় পেশাদার বহিরাগত দুষ্কৃতীদের দিয়ে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে জুনিয়র চিকিৎসকদের অবস্থান বিক্ষোভস্থলে একটি আক্রমণ করার চক্রান্ত করা হচ্ছে। গোপন সূত্রে সেই সংক্রান্ত একটি অডিয়ো ক্লিপ তাদের হাতে আসে। সেখানে দুই ব্যক্তির কথোপকথন সামনে আসে। তাঁদের মধ্যে একজন হালতুর বাসিন্দা সঞ্জীব দাস এবং অপরজন কলতান দাশগুপ্ত।অডিয়োটির সত্যতা যাচাই করে পুলিশের টেকনিক্যাল অ্যানালিসিস উইং এবং ইনভেস্টিগেটিং উইং। তারা ক্লিপিংটির সত্যতা নিশ্চিত করেছে বলেও দাবি পুলিশের। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত ২ জনের কণ্ঠস্বরের নমুনা আইন মেনে ওই অডিয়োর সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি অডিয়োতে তিন জনের নাম সামনে এসেছে। সাহেব, দাদু এবং বাপ্পা। তারা কারা এবং এই এই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের সঙ্গে কীভাবে জড়িত? তা খতিয়ে দেখবে পুলিশ।
কী বললেন কলতান?
এ দিকে গ্রেপ্তার হওয়ার পর সংবাদমাধ্যমে কলতান বলেন, ‘পুলিশের তরফে এখনও নিশ্চিতভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে কোনও ষড়যন্ত্র হবে।’ উল্লেখ্য, সম্প্রতি জুনিয়র চিকিৎসকদের ধর্নায় হামলার চক্রান্ত সংক্রান্ত একটি অডিয়ো ক্লিপ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে দু’জনের কথোপকথন ছিল। একজন ‘স’ এবং অপরজন ‘ক’। তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ এই অডিয়ো ক্লিপ প্রকাশ করে দাবি করেছিলেন, একজন অতি বাম সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত, অপরজন বাম যুব সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত।
বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট অবশ্য সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছে, দুপুরেই এই অডিয়ো ক্লিপিংয়ের প্রেক্ষিতে তাঁরা স্বতঃপ্রণোদিত অভিযোগ দায়ের করে তদন্ত শুরু করে। সংবাদ মাধ্যমে অডিয়ো ক্লিপ সামনে আসার বিষয়টি তাঁদের নজরে এসেছে।
