Supreme Court Of India,মহিলাদের রাতের ডিউটি না করতে বলতে পারে না রাজ্য: সুপ্রিম কোর্ট – rg kar medical college and hospital supreme court qustion west bengal government notification on women safety


আরজি করে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর মহিলাদের নাইট শিফ্টে কাজ করা নিয়ে রাজ্য সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল। সেই বিজ্ঞপ্তি নিয়ে এ বার প্রশ্ন উঠল সুপ্রিম কোর্টে।সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় এ দিন বলেন, ‘১৯ অগস্ট রাজ্য সরকার যে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে তাতে বলা হয়েছে মহিলাদের রাতের ডিউটি নয়। মহিলা চিকিৎসকদের ১২ ঘণ্টার বেশি ডিউটি দেওয়া যাবে না। কিন্তু মহিলারা কোনও বিশেষ সুবিধা চাইছেন না। তাঁরা নিরাপত্তা চাইছেন’। পশ্চিমবঙ্গ সরকার যাতে এই বিষয়ে দিকে নজর দেয় সেই নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি। কোনও মহিলা রাতে কাজ করতে পারবেন না, এই কথা বলতে পারে না রাজ্য, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের। পাল্টা রাজ্যের আইনজীবী কবিল সিবাল বলেন, ‘এই নির্দেশ অস্থায়ী। রাজ্যের তরফে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে।’

এ দিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘রাজ্যের প্রতিটি জেলাশাসক, পুলিশ সুপাররা নিশ্চিত করবেন চিকিত্‍সকদের নিরাপত্তা। কোন কোন জায়গায় সিসিটিভি ক্যামেরা লাগাতে হবে তার নির্দিষ্ট পদ্ধতি রাখতে হবে।’

চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ৭ দিনের প্রশিক্ষণ দিয়ে সকলের সুরক্ষা নিশ্চিত কী ভাবে সম্ভব? সুপ্রিম কোর্টে এই প্রশ্নের মুখেও পড়ে রাজ্য। অর্থাৎ রাজ্যের ‘রাত্রি সাথী’ উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সর্বোচ্চ আদালত। এই প্রসঙ্গে রাজ্যের আইনজীবী আদালতে বলেন, ‘রাত্রি সাথী একটি অস্থায়ী ব্যবস্থা। এক বছরের জন্য। হাসপাতালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সিকিউরিটি এজেন্সি ভাড়া করা হচ্ছে।’ চিকিৎসকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য রাজ্য সরকারকে সমস্ত পদক্ষেপ করতে হবে বলে জানান প্রধান বিচারপতি।

পাশাপাশি জুনিয়র চিকিৎসকরা কবে কাজে ফিরবেন? সেই প্রশ্নও ওঠে সুপ্রিম কোর্টে। প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘জুনিয়র চিকিত্‍সকরা কাজে ফিরবেন৷ তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা সুনিশ্চিত হওয়ায় কাজে ফিরতে অসুবিধে নেই, আশ্বাস দিয়েছেন তাদের আইনজীবী ইন্দিরা জয় সিং৷ জুনিয়র চিকিত্‍সকদের জেনারেল বডি মিটিং রয়েছে। সেখানে আলোচনা করেই জানানো হবে কাজে যোগদানের সিদ্ধান্ত।’

যদিও জুনিয়র চিকিৎসকদের আইনজীবী ইন্দিয়া জয়সিং বলেন, ‘জুনিয়র ডাক্তাররা কাজে ফিরলে তাদের ভিক্টিমাইজ করা হবে। কারণ অভিযুক্তরা এখনও আরজি করে কাজ করছেন। তাঁদের সরানো হয়নি। তাহলে জুনিয়র চিকিত্‍সকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে কি করে ?’

হাসপাতালে নিরাপত্তায় ১৫০ কোটি, জুনিয়র ডাক্তারদের বার্তা মুখ্যসচিবের

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘সিবিআই তদন্ত করছে৷ আর্থিক দুর্নীতি-সহ গোটা বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখছে। রাজ্যের আইনজীবী জানিয়েছেন, কাজে ফিরলে আন্দোলনকারী ডাক্তারদের বিরুদ্ধে কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। ডাক্তারদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।’ চিকিৎসকদের জেনারেল বডির মিটিং কখন হবে সেই সময় এখনই বলা সম্ভব নয় বলে আদালতে জানান ইন্দিরা জয় সিং।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *