Darjeeling Weather,টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত দার্জিলিং, বন্ধ রক গার্ডেন, ধসে চাপা পড়ে মৃত ১ – darjeeling several area affected for landslide as huge rainfall continues from wednesday


বুধবার রাতভর বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত দার্জিলিঙের বিস্তীর্ণ এলাকা। একাধিক জায়গায় ধস নেমেছে। ধসের কারণে এক বৃদ্ধর মৃত্যু হয়েছে বলেও খবর। মৃতের নাম রঘুবীর রাই (৭৮)। তাঁর বাড়ি দার্জিলিঙের সুখিয়া ব্লকের বুজুয়া গ্রামে। মৃতের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের কথা জানানো হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। তবে টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ের যা অবস্থা তাতে পুজো-ভ্রমণ নিয়ে খানিকটা চিন্তায় পড়েছেন পর্যটকরা। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস মিলে গেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।দার্জিলিঙের একাধিক জায়গায় ধস নামে বুধবার রাত থেকে। নতুন করে দার্জিলিং-সিংটামের রাস্তায় ধস নামে। সেখানেই মৃত্যু হয় ওই বৃদ্ধর। খবর পেয়ে এলাকায় যান পুলিশ প্রশাসনের কর্তারাও।

প্রবল বৃষ্টির কারণে দার্জিলিং থেকে রক গার্ডেন যাওয়ার রাস্তাতে ধস নামে। ফলে রক গার্ডেন যাওয়ার রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সুখিয়াতে লেপচাজগতের কাছেও রাস্তায় ধস নেমেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত রক গার্ডেন আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জিটিএ। কিছুদিন আগেই রক গার্ডেনকে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল জিটিএ। তারপরই এই ধসের ঘটনা ঘটল। একাধিক জায়গায় ধসের জেরে বিপর্যস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা। সকাল থেকেই প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

Darjeeling Strike Update: পাহাড় বন্‌ধে বন্ধ গাড়ি, বাজার, দোকানপাট, সমস্যায় পর্যটকরা

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দার্জিলিঙে বৃষ্টি হয়েছে ১৭৫.৪ মিলিমিটার। বৃহস্পতিবার সারাদিন দার্জিলিঙে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে আবহাওয়া দপ্তরের। ফলে নতুন করে আরও কিছু জায়গায় ধস নামার আশঙ্কা রয়েছে। সান্দাকফু হওয়ার পথে মাজুয়া এলাকা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে ধসের কারণে। সুখিয়াপোখরি এলাকাতেও ধস নেমেছে।

২০ শতাংশ বোনাসের দাবিতে ফের আন্দোলনে চা-বাগান শ্রমিকরা, অবরুদ্ধ শৈল শহর
পুজোর মরশুমে দার্জিলিং-সহ অন্যান্য পাহাড়ি পর্যটন এলাকায় পর্যটকদের ভিড় জমতে শুরু করেছে। এর মাঝেই ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক-সহ দার্জিলিং, কালিম্পং, সিকিমের একাধিক জায়গায় ধসের কারণে সমস্যায় পড়ছেন পর্যটকরা। তার মধ্যে দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে তিস্তা নদীতে জলের পরিমাণ আরও বেড়েছে। গতকালের পর থেকে পাহাড়ি এলাকার পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *