গোরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলও সম্প্রতি তিহার জেল থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছে। কেষ্টর বাড়ির কাছে ‘চড়াম চড়াম’ ঢাকও বাজবে। অন্য দিকে, পার্থরও যখন জামিন পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছিলেন তাঁর আইনজীবীরা, তখনই প্রাথমিকে নিয়োগ-দুর্নীতি মামলায় তাঁকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখাতে আদালতে আবেদন করে সিবিআই। সায়ও দেন বিচারক।
অথচ ওই একই মামলায় অভিযুক্ত পলাশিপাড়ার বিধায়ক তথা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য সদ্যই জামিন পেয়েছেন। মানিকও বন্দি ছিলেন প্রেসিডেন্সিতেই। গোরু-কয়লা পাচার থেকে পুরসভায় নিয়োগ-দুর্নীতিতে অভিযুক্ত আরও কেউ কেউ মুক্তি পেয়েছেন। সম্প্রতি জেল থেকে ছাড়া পেয়েছেন রেশন-দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারপার্সন শঙ্কর আঢ্যও। পার্থ এবং জ্যোতিপ্রিয় অবশ্য আটকে ফাটকেই। ২০২২-এর ২২ জুলাই নাকতলায় পার্থের বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি। এর পর নিম্ন আদালত থেকে সুপ্রিম কোর্ট—বার বার দরবারেও মুক্তি হয়নি বেহালার বিধায়কের।
এ নিয়ে তৃতীয় বার পুজোয় জেলের ‘খাবার’ খেতে হবে তাঁকে। জ্যোতিপ্রিয়রও একই অবস্থা। কারা দপ্তর সূত্রে অবশ্য খবর, রাজ্যের ৮টি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে পুজোর চার দিন রাজকীয় ভোজেরই আয়োজন থাকছে। মেনুতে মাটন বিরিয়ানি, হরেক রকমের মিষ্টি থেকে মাছের রকমারি পদ থাকছে। কারা দপ্তরের এক কর্তার কথায়, ‘নানা কারণে অনেকে জেলে বন্দি রয়েছেন। তাঁদের আগের জীবন অন্য রকম ছিল। পরিবারের সঙ্গে পুজো কাটাতেন। আমরা চেষ্টা করি, ভালো লাগার মুহূর্তগুলো যেন ভাগ করে নেন বন্দিরা।’
