ধৃতদের অন্তর্বর্তী জামিনের আর্জির মামলায় হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণ করেছে, শুধুমাত্র হোয়াট্সঅ্যাপ চ্যাট এবং প্ল্যাকার্ড বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। তাঁদের স্লোগান ঘৃণার নয়। কারও ধর্মীয় ভাবাবেগ আঘাত পায়নি। অনেক সাধারণ মানুষ ওই স্লোগান দিচ্ছেন। ধৃতদের প্রত্যেকেরই কম বয়স। বেশির ভাগের বয়স ২০-২৫ বছর। অতি উৎসাহে তারা ওই কাজ করে থাকতে পারেন। আরজি করকে কেন্দ্র করেই ওই স্লোগান।
পুজো মণ্ডপে স্লোগান দেওয়ার জন্য অভিযোগকারী বিট্টু কুমার ঝায়ের পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি। রাজ্যের আইনজীবী আদালতে জানান, ওই ব্যক্তি এলাকার সাধারণ মানুষ। বিচারপতি সরকারের প্রশ্ন, সে ক্ষেত্রে যাঁরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন তাঁদের তিনি কী ভাবে চিনলেন? কী ভাবেই বা অভিযোগ করলেন তাঁদের নামে?
পাল্টা রাজ্যের আইনজীবী জানান, একটি ভিডিয়োতে তাঁদের একে অপরের নাম ধরে ডাকতে শোনা যায়। সেখান থেকেই তাঁদের নাম পাওয়া গিয়েছে। রাজ্যের আইনজীবী এ দিন আদালতে জানান, ধৃতদের হোয়াসঅ্যাপ থেকে বেশ কিছু তথ্য প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। সেখানে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে এই ঘটনা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এর নেপথ্যে কোনও ‘বড় ষড়যন্ত্র’ রয়েছে। সকলের প্রতিবাদ জানানোর অধিকার রয়েছে। কিন্তু তা অন্যের অসুবিধা করে নয়।
ধৃতদের অন্তর্বর্তী জামিনের খবর জানার পরেই আনন্দে মাতেন আন্দোলন-অনশনে বসা জুনিয়র ডাক্তারা। অনেকে খুশিতে কেঁদেও ফেলেন। হাতিতালি শুরু হয়। ঘোষণা করা হয়, এই আন্দোলন যেন ছড়িয়ে পড়ে।
