১০৮ মহিষ ‘খাওয়া’ ভয়ংকরা মা মহিষখাগী কালীকে ভোগে দেওয়া হয় পান্তা, খয়রা ও রুই মাছ…। kalipuja 2025 Mahishkhagi Kali of Santipur goddess kali being immersed with all the rituals


বিশ্বজিৎ মিত্র: প্রতিবছর কালীপুজোর সময়েই এই কালীর প্রসঙ্গ ওঠে, এবারও উঠল (Kali Puja 2025)। পান্তা ভাত, খয়রা মাছ ও রুই মাছ খেয়ে পাট থেকে নেমে নিরঞ্জনের পথে রওনা দিলেন মা মহিষখাগী (Mahishkhagi Kali)। ৫৫০ বছরের প্রাচীন মাতা মহিষখাগীর নিরঞ্জনযাত্রায় অসংখ্য মানুষের ভিড়। প্রায় সাড়ে পাঁচশো বছরের প্রাচীন প্রথা মেনে এখনও হাজার-হাজার ভক্তের সমাগমে কাঁধে চড়ে মা রওনা দিলেন নিরঞ্জনের পথে।

Add Zee News as a Preferred Source

আরও পড়ুন: Bengal Weather Updates: নিম্নচাপ পরিণত হবে গভীর নিম্নচাপে! বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি? কবে হাওয়াবদল, কেমন থাকবে ভাইফোঁটার ওয়েদার?

৫৫০ বছর আগে
 
কথিত রয়েছে, আজ থেকে ৫৫০ বছর আগে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়কে স্বপ্নাদেশ দিয়েছিলেন দেবী। তারপরে মন্দির স্থাপন করেছিলেন রাজা। প্রথমে এক তান্ত্রিকের কুঁড়ে ঘরে আরাধনা হত দেবীর। সাড়ে পাঁচশো বছর আগে ১০৮টি মহিষ বলি দিয়ে দেবী পূজিত হওয়ায় গোটা জগৎ জুড়ে নাম ছড়িয়ে পড়ে মাতা মহিষখাগী নামে।

মায়ের ভোগ

মায়ের ভোগ নিবেদনে রয়েছে বিশেষ মাহাত্ম্য। মাকে ভোগ দেওয়া হয় পান্তা ভাত, খয়রা মাছ ও রুই মাছ। এরপর দেবীকে পাট থেকে নামিয়ে বরণ করা হয়। দেবী পাঠ থেকে নামতেই মন্দির প্রাঙ্গণে হাজার হাজার ভক্তবৃন্দের সমাগম ঘটে, এরপর ভক্তদের কাঁধে চড়ে নিরঞ্জনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন মাতা মহিষখাগী। 

আরও পড়ুন: Israel Dropped Bombs: গাজায় একদিনে ৩ লক্ষ ৩৭ হাজার ৩০৭ পাউন্ড বোমা ফেলল ইসরায়েল! আগুনধোঁয়ার মধ্যে দিয়েই বইছে রক্তবন্যা…

আবেগের জোয়ার

শান্তিপুরের রাজপথ-সহ অলিতে-গলিতে হাজার হাজার ভক্ত অপেক্ষায় থাকে মাকে একবার দর্শন করার জন্য। এই অনন্য চিত্র একমাত্র প্রথম দেখা যায় নদীয়ার শান্তিপুরে। এ বছরও মায়ের নিরঞ্জনের সময় একইভাবে হাজার হাজার ভক্ত সমাগম ঘটে। মানুষের আবেগ জড়িয়ে থাকে মাতা মহিষখাগীকে নিয়ে।

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *