পাকিস্তানের সঙ্গে ‘নো হ্যান্ডশেক’ সংকল্পে এখনো অটুট ভারত!


জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ইউ-১৯ এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে ফের দেখা গেল এক বিতর্কিত দৃশ্য। ম্যাচ শেষে দুই দলের খেলোয়াড়রা হ্যান্ডশেক না করেই মাঠ ছাড়লেন। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)-এর অনুরোধের সত্ত্বেও ভারতীয় দল তাদের পূর্বঘোষিত ‘নো হ্যান্ডশেক’ নীতিতে অনড় থাকল।

Add Zee News as a Preferred Source

তবে এই ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল এশিয়া কাপের শুরুতেই, যখন ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই) জানিয়ে দেয় যে, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে ভারতীয় খেলোয়াড়রা হ্যান্ডশেকের থেকে বিরত থাকবে। বিসিসিআই-এর এই সিদ্ধান্তের পেছনে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রভাব স্পষ্ট। যদিও আইসিসি চেয়েছিল, ক্রীড়াক্ষেত্রে রাজনীতি না টেনে খেলোয়াড়দের মধ্যে সৌহার্দ্য বজায় থাকুক।

আরও পড়ুন:Messi in Kolkata: ‘এরপরই বিরক্ত হয়ে মেসি…’! কার জন্য রণক্ষেত্র যুবভারতী? প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য

দুবাইয়ের আইসিসি ক্রিকেট অ্যাকাডেমি মাঠে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ভারতীয় দল পাকিস্তানের মুখোমুখি হয়। ম্যাচ শেষে সাধারণত দুই দলের খেলোয়াড়রা হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে ক্রীড়াসুলভ মনোভাব প্রদর্শন করেন। কিন্তু ভারতীয় দল সেই প্রথা থেকে সরে এসে শুধুমাত্র ‘ফিস্ট বাম্প’ বা হাত মুঠো করে ঠেকিয়ে সৌজন্য বিনিময় করে। 

আইসিসি সূত্রে জানা যায় যে তারা ভারতীয় বোর্ডকে অনুরোধ করেছিল যেন হ্যান্ডশেকের রীতি বজায় রাখা হয়। কারণ ইউ-১৯ স্তরের ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য। তবে ভারত  নিজের সংকল্পে অটুট থাকে এবং তারা আগেই জানিয়ে দেয় ‘পাকিস্তানের সঙ্গে কোনো হ্যান্ডশেক হবে না।’

এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্রিকেট মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, ক্রীড়াক্ষেত্রে রাজনীতির প্রবেশ অনুচিত আবার কেউ বলছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার প্রশ্নে বিসিসিআই-এর অবস্থান যুক্তিযুক্ত। তবে তরুণ খেলোয়াড়দের মধ্যে এই ধরনের বার্তা কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: Shatadru Dutta, Messi in Kolkata: ১৪ দিনের পুলিস হেফাজত মেসি ট্যুরের মূল উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তর…

উল্লেখ্য, ভারত-পাকিস্তান রাজনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন বহু পুরনো। সেই প্রভাব বারবার পড়েছে ক্রীড়াক্ষেত্রেও। দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বন্ধ, আইপিএলে পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতি সবই সেই টানাপোড়েনের ফল। এবার সেই ছায়া পড়ল ইউ-১৯ পর্যায়েও।

আগামী দিনে এই দুই দল যদি আবার মুখোমুখি হয়, তখনও কি একই দৃশ্য দেখা যাবে? নাকি আইসিসি আরও কড়া অবস্থান নেবে? আপাতত সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে।

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *