TMC Joining: বিধানসভা ভোটের আগে বড় ভাঙন গেরুয়া শিবিরে, এসআইআর ক্ষোভে দল ছাড়ল ৫০ পরিবার


নকিব উদ্দিন গাজী ও প্রদ্যুত্ দাস: এসআইআর নিয়ে সাধারণ মানুষের আতঙ্ক যত বাড়ছে ততই চাপ বাড়ছে বিজেপির উপরে। কারণ যে ক্ষোভ মানুষের মধ্যে জমা হচ্ছে তার কোনও প্রভাব ভোটে পড়বে কিনা সেটাই এখান তাদের ভাবনার বিষয়। এর মধ্যেই বিজেপির কর্মকাণ্ডে বিরক্ত হয়ে দল ছেড়ে তৃণমূল যোগ দিল ৫০ পরিবার। তাদের সঙ্গে ছিলেন বেশকিছু সিপিএম সমর্থকও।

Add Zee News as a Preferred Source

গতকাল দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুর ১ নম্বর ব্লক তৃণমূলের তরফে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা হয় বাপুলির বাজারে। সেখানেই ওইসব বিজেপি সমর্থকরা দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দান করেন। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন মথুরাপুর ১ নম্বর ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মানবেন্দ্র হালদার, জেলা পরিষদের সদস্যা কেয়া মণ্ডল-সহ অন্যান্য নেতারা। তৃণমূলে যোগদানকারীদের দাবি, তারা এতদিন বিজেপির ভুল বোঝানো বুঝতে পেরেছেন।

মথুরাপুর ১ নম্বর ব্লকের প্রায় ২৯ হাজার মানুষকে এসআইআর-এর হেয়ারিংয়ের ডেকেছে কমিশন। এমনটাই দাবি করলেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। তাঁর বক্তব্য়, মানুষকে বিভ্রান্ত করছে বিজেপি, মানুষকে সমস্যায় ফেলছে। সেই ধোঁকা ধতে পেরেই ওইসব বিজেপি সমর্থক তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করছেন।  ২৬ শে নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়া কোনও দলই এখানে থাকবে না।

অন্যদিকে, জলপাইগুড়িতে শক্তি বাড়ল তৃণমূল। বিধানসভা ভোট যত সামনে এগিয়ে আসছে যতই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে খেলা শুরু হয়েছে জলপাইগুড়িতে। রাজগঞ্জ বিধানসভায় সন্ন্যাসীকাটা অঞ্চলের ২২ টি পরিবার থেকে ১২৫ জন বিজেপি ও সিপিআইএম দল ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করলেন। তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন ডাবগ্রাম,রাজগঞ্জ,জলপাইগুড়ি বিধানসভার কো অর্ডিনেটর তথা জলপাইগুড়ি জেলা এসসি ওবিসি তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি  কৃষ্ণ দাস।

আরও পড়ুন-অপারেশন সিঁদুরে আকাশের দখল নিয়ে নেয় ভারত, উপায় না দেখে সংঘর্ষবিরতিতে বাধ্য হয় পাকিস্তান

আরও পড়ুন-বেলা বাড়লে শীত উধাও! সপ্তাহের শেষে ধেয়ে আসছে বৃষ্টি, সঙ্গে…

বিধানসভার ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই জেলায় জেলায় বিজেপি ছাড়ছেন বহু সমর্থক। গত ২৪ নভেম্বর, পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন ৪০ কর্মী। দলত্যাগী এই ৪০ জন বিজেপি কর্মী তৃণমূলের জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তম বারিকের হাত থেকে ঘাসফুল পতাকা গ্রহণ করে শাসক শিবিরে (Trinamool Congress) যোগ দেন। আসন্ন ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এই দলবদল জেলার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিজেপি নেতা আনন্দ পড়ুয়ার নেতৃত্বে এই যোগদান হয়। অসহযোগিতা ও কাজ করার সুবিধা না পাওয়াই দলবদলের কারণ বলে জানিয়েছেন যোগদানকারীরা। এই যোগদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাঁথি সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি পীযূষ পণ্ডা ও ব্লক সভাপতি স্নেহাংশ পণ্ডিত।

গত ১৩ অগাস্ট পদ্ম ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিলেন প্রায় ৩০০ বিজেপি সমর্থক। জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের ঘটনা। তাঁদের বক্তব্য, উন্নয়ণে একমাত্র ভরসা তৃণমূল কংগ্রসেই। রাজগঞ্জ ব্লকের শিকারপুর অঞ্চলের ভাণ্ডাপুর চা বাগানে মনোজ ভুজেলের নেতৃত্বে এবং রোহন মেনন সমেত বুথ ও অঞ্চল নেতৃত্বের উদ্যোগে যোগদান সভায় প্রায় ৩০০ জন ভোটার বিজেপি ত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন বলে তৃণমূলের দাবি। আর এতেই রাজগঞ্জে তৃণমূল অনেক শক্তিশালী হল বলে জানান তৃণমূল নেতৃত্ব।

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *