‘প্রায়ই বাড়িতে আসত, সেই বন্ধুই ছেলেকে কুপিয়ে মেরে ফেলল! ভাবতে পারছি না’…| Man kills friend in mysterious circumstances in Nadia


বিশ্বজিত্ মিত্র: বাড়ির সবার পরিচিত। প্রায় আসতো, সবার সঙ্গে হইচই করত। সে-ই কিনা ছুরির কোপ বসিয়ে দিল তার সঙ্গীর পেটে! নদিয়ার শান্তিপুর থানার ফুলিয়া জ্যোতিপল্লী এলাকায় বন্ধুর হাতে খুন হয়ে গেল বন্ধু। মৃত্যুর আগে সবকিছু ভাইকে বলে গিয়েছে মৃত কৃষ্ণ দাস। বয়স আনুমানিক ৩৬ বছর।

Add Zee News as a Preferred Source

অভিযুক্তের নাম বিজন বিশ্বাস। বাড়ি শান্তিপুর থানার ফুলিয়া মহিশপুকুর এলাকায়। জানা যায়,কৃষ্ণ ও বিজন দু’জনেই একসঙ্গে বিয়ে ও বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে বাজনা বাজানোর কাজ করত। পরিবারের দাবি,শনিবার অন্যান্য দিনের মতোই কৃষ্ণ বাজনা বাজাতে বেরিয়েছিলেন। অভিযোগ,সেই সময় বন্ধু বিজন বিশ্বাস তাকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপরই কোনো এক কারণে কৃষ্ণ দাসের উপর ধারাল অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করে।

গুরুতর জখম অবস্থায় প্রথমে তাকে ফুলিয়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। পরে সেখান থেকে কল্যাণী জহরলাল নেহেরু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ চিকিৎসার পর রবিবার রাতে সেখানেই মৃত্যু হয় কৃষ্ণ দাসের।

ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে কৃষ্ণ দাসের পরিবারে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, কৃষ্ণর পরিবারে রয়েছেন তাঁর বাবা-মা, এক পুত্র ও দুই কন্যা। এ বছর তাঁর বড় মেয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছে। পরিবার দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। পুলিস ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

আরও পড়ুন-‘দেশের ১.২৫ কোটি হিন্দু লড়াইয়ে নামলে বিশ্বের…’, বাংলাদেশকে বিরাট হুঁশিয়ারি RSS প্রধানের

আরও পড়ুন-এই সময়ে উড়ে যাবে এই এই স্কুল! টার্গেট সংসদ ভবনও! ইমেল পেতেই সাতসকালে শহরজুড়ে আতঙ্কের হাওয়া…

মৃত যুবকের বাবা মহাদেব দাস বলেন, বুঝতে পারছি না। ও তো বাজনা বাজায়। বাজাতেই গিয়েছিল। রোজ রাত দশটা নাগাদ বাজিয়ে ফেরে। যে দিন ঘটনা ঘটেছিল সেদিন আর রাতে ফেরেনি। শুনছি বিজন খুন করেছে। ছেলের তো  দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। মেয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছে। ওদের কী হবে বুঝতে পারছি না। 

ছেলেকে হারিয়ে ভেঙে পড়েছেন কৃষ্ণর মা। তিনি বলেন, ওই বিজন বিশ্বাস আমার ছেলেকে মেরেছে। পেটে ছুরি মেরেছে, হাতে কোপ মেরেছে। মুখে মেরেছে, দাঁত ভেঙে গিয়েছে। বিজন বাজনা বাজায়। ওদের মধ্যে অশান্তি ছিল কিনা জানি না। প্রায়ই বাড়িতে আসতো। চা করে দিতাম দুজনে খেত। ও যে ছেলেকে মেরে ফেলবে, ভাবতে পারছি না। মরার আগে আমার ছোট ছেলের কাছে সবকিছু বলেছে আমার ছেলে।

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *