প্রতীক উরকে হরিয়ে ‘সন্তানহারা’ সেলিম! পদত্যাগে সিলমোহর দিয়ে চোখে জল… Pratik Ur Rahamans resignation letter finally accepted by CPM State Secretary Md Salim


মৌমিতা চক্রবর্তী: ‘খুবই বেদনাদায়ক’। প্রতীক উর রহমানকে হারিয়ে ‘সন্তানহারার হওয়া’র মতো অবস্থা সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের। তাঁর আক্ষেপ, ‘যখন রাজ্য সম্পাদক হয়েছিলাম, তখন তো বলেছিলাম আমাদের কাছে তিরিশটা তেজি ঘোড়া আছে। আমি তিনশোটা ঘোড়া করব। তারপর ভেবেছিলাম, তিনশো হয়ে গিয়েছে। আমি এখন হাজারের দিকে যেতে পারি’।

Add Zee News as a Preferred Source

আরও পড়ুন: Pratik Ur Rahaman: ‘শূন্য পাওয়া দল থেকে ধার কেন? অ্যাসেট যুবনেতাকে পচে যেতে দেখে…’ প্রতীক উরে তীব্র ‘অভিমান’ উষসীর…

প্রতীক উর রহমান বিতর্কে এবার ইতি টানল বামেরা।  তরুণ তুর্কি নেতা এই নেতার ইস্তফাপত্র যে তিনি গ্রহণ করেছেন, সেকথা নিজেই জানালেন সেলিম। এদিন শেষ হল সিপিএমের রাজ্য কমিটির বৈঠক। সাংবাদিক বৈঠকে সেলিম বলেন, ‘খুবই বেদনাদায়ক। আমার কাছে নতুন প্রজন্মের একটা ছেলে-মেয়ে পার্টির, অনেক ইনভেস্টমেন্ট করতে হয় পার্টিতে। মুভেমেন্ট, আন্দোলন, সংগ্রাম, প্রচার, লড়াই…আমরা চাই এটা থেকে পার্টি দীর্ঘমেয়াদী লাভ তুলুক। জনগণ তুলুক, সে সে আন্দোলন তুলুক’।

 

আরও পড়ুন:  Kunal Ghosh explosive social media post: ‘চাকরিখেকো, উগ্র, সিপিএমপন্থী’ আইনজীবীর বিরুদ্ধে মহিলা সহকর্মীর অপকর্মের অভিযোগ! ফের কুণালের চিঠি-বোমা…

এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার সিপিএমের রাজ্য কমিটির বৈঠকে প্রতীক উরের প্রসঙ্গ ওঠে। দলের অবস্থান কি? জানতে চান আলিপুরদুয়ার-সহ দুই জেলার নেতৃত্ব। আজ, শুক্রবার দলের সর্বভারতীয় সম্পাদকের উপস্থিতি বৈঠকে বসেন রাজ্য কমিটির সদস্য়রা।

এদিকে জি ২৪ ঘন্টাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাত্‍কারে মহম্মদ সেলিমের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন প্রতীক উর। সেলিম সাহেব গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে দল চালানোর বদলে নিজের একটি ছোট বলয় তৈরি করেছেন। তিনি বলেন, ‘মহম্মদ সেলিম আজ মাত্র কয়েকজনকে নিয়ে দল চালাচ্ছেন।’ এই ‘কিচেন ক্যাবিনেট’ রাজনীতির ফলে দলের নিচুতলার এবং পুরনো কর্মীরা ব্রাত্য হয়ে পড়ছেন বলে মনে করছেন রাজনীতির কারবারিরা।

প্রতিক উরের সাফ কথা, ‘মহম্মদ সেলিম হুমায়ুন কবীরের মতো নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করার সময় পান, অথচ নিজের দলের নেতাদের ফোন করার বা কথা বলার সময় তাঁর হয় না।’ তাঁর মতে, এই আচরণ অত্যন্ত ‘ঔদ্ধত্যপূর্ণ’। লোকসভা ভোটে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে বাম প্রার্থীর অভিযোগ, যখন কোনও কাজের কৃতিত্ব নেওয়ার সময় আসে, তখন সেলিম সামনে থাকেন। কিন্তু দল যখন বিপদে পড়ে বা কোনো জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তখন তিনি দায় এড়িয়ে বলেন— “সবই দল জানে।” নেতার এই দ্বিচারিতা নিচুতলার কর্মীদের মনোবল ভেঙে দিচ্ছে বলে প্ মনে করেন তিনি।

তবে সবচেয়ে বড় চমক ছিল প্রতিকুর রহমানের গলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসা। যেখানে সিপিএম বরাবরই তৃণমূলের কট্টর বিরোধী, সেখানে প্রতিকুর স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে লড়াই করে নজির গড়েছেন।” শুধু তাই নয়, কেন্দ্রীয় বঞ্চনা এবং রাজ্যের দাবি আদায়ের লড়াইয়ে (SIR লড়াই) সিপিএম যে তৃণমূলের চেয়ে কয়েক যোজন পিছিয়ে আছে, তাও অকপটে স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, ‘লড়াইতে তৃণমূলের থেকে সিপিএম অনেক পিছিয়ে রয়েছে।’

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *