প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মালদা রায়গঞ্জের বাস কলকাতার দিকে যাচ্ছিল। ঠিক সেই সময় উল্টো দিক থেকে একটি স্করপিও কৃষ্ণনগরের দিকে যাচ্ছিল। শান্তিপুর থানার ফুলিয়া নবলা ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে সজোরে মুখোমুখি দুর্ঘটনা ঘটে। বাস যাত্রীদের তড়িঘড়ি উদ্ধার করে রানাঘাট মহাকুমা হাসপাতাল এবং ফুলিয়া ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যায় স্থানীয়রা।
এদিকে, স্করপিও গাড়িতে থাকা দুই যাত্রীর ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ২। মৃতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি। বাকিরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। স্করপিও গাড়িতে আটকে থাকা মৃতদেহ গুলি উদ্ধার করার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।
যদিও এই পথ দুর্ঘটনার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় ঘটনাস্থলে। ক্রেনের মাধ্যমে স্করপিও গাড়ি ও ক্ষতিগ্রস্ত বাসটিকে উদ্ধার করছে শান্তিপুর থানার পুলিশ। ওদিকে প্রশাসন পুরো ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি মৃতদেহর নাম এবং পরিচয় জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বাসটি ভুলরুটে চলে আসার জন্যই এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছে।
প্রসঙ্গত, কয়েকমাস আগেই শান্তিপুর গয়েশপুর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ইসলামপুর এলাকায় একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর দুই যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন পথচারীরা। জানা যায়, ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান। আরেকজন বাইক আরোহীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাস্থলে যায় শান্তিপুর থানার পুলিশ।
তবে, জাতীয় সড়কের উপর বারংবার দুর্ঘটনার কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দুর্ঘটনা রুখতে পুলিশের তরফে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কঠোর ব্যবস্থা নিলে দুর্ঘটনা এড়ানো যাবে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
