Express Trains : কাটোয়া হয়ে উত্তরবঙ্গগামী সব এক্সপ্রেস, নাভিশ্বাস শহরবাসীর – due to the work on rampurhat chatra line express trains are passing over katwa people are facing problems for railway gate is closed most of the time


এই সময়, কাটোয়া: শহরে ঢোকার মূল রাস্তার উপরই আছে রেল গেট। আর সেই রেল গেটের খোলা-পড়াতেই জীবন কাটছে কাটোয়ার আমজনতার। এমনিতেই রেল গেট নিয়ে নাজেহাল অবস্থা কাটোয়াবাসীর। কিন্তু গত কয়েকদিনে সমস্যা বেড়েছে বহুগুণ। রামপুরহাট-চাতরা লাইনে কাজ হওয়ার কারণে কাটোয়ার উপর দিয়ে পাশ করানো হচ্ছে বেশ কয়েকটি এক্সপ্রেস ট্রেন। ফলে স্বাভাবিক দিনের চেয়ে এখন রেল গেট বন্ধ থাকছে দিনের বেশিরভাগ সময়েই। এতে যেমন বাড়ছে যানজট, তেমন বাড়ছে ভোগান্তি। যার জেরে ফের জোরালো হচ্ছে কাটোয়া রেল ওভারব্রিজের দাবি।

Bandel Katwa Local : ওভার হেডের তার ছিঁড়ে বিপত্তি! বন্ধ ব্যান্ডেল-কাটোয়া শাখার ট্রেন চলাচল
রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, রামপুরহাট-চাতরা শাখায় থার্ড লাইনের কাজের জন্য গত ২০ অগস্ট থেকে রামপুরহাট-বর্ধমান লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। বর্ধমান হয়ে যে দূরপাল্লার এক্সপ্রেস ট্রেনগুলি চলাচল করে, সেগুলিই এখন কাটোয়া হয়ে পাশ করানো হচ্ছে। জানা গিয়েছে, বর্তমানে কাটোয়া হয়ে যাতায়াত করছে ১৮টি এক্সপ্রেস ট্রেন। যা চলবে আগামী ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। কাঞ্চনজঙ্ঘা, কাঞ্চনকন্যা, গণদেবতা, কুলিক, কাটিহার, উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেসের মতো দূরপাল্লার ট্রেনগুলির যাত্রাপথ আপাতত কাটোয়া হয়েই।

Shyamnagar Station : শ্যামনগরে ফের ভাঙল রেলগেট, কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতে যাতায়াতে ধরতে হচ্ছে বিকল্প পথ
এদিকে, কাটোয়া-হাওড়া, কাটোয়া-শিয়ালদহ শাখার ট্রেনের পাশাপাশি একাধিক এক্সপ্রেস চলে কাটোয়া স্টেশন হয়ে। ফলে সারাদিন একাধিকবার গেট পড়ে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়া-ব্যান্ডেল, কাটোয়া-হাওড়া লাইন মিলে মোট ৩৯টি লোকাল ট্রেন চলাচল করে থাকে। এই ট্রেনগুলি যাতায়াতের সময় রোজ ৭৮ বার রেল গেট বন্ধ করতে হয়। এছাড়া ট্রেনের ইঞ্জিন পরিবর্তনের প্রয়োজনে রেল গেট বন্ধ রাখতে হয় রোজ ১১ বার। মালগাড়ি তো আছেই। সব মিলে রেল গেট বন্ধ করতে হয় প্রায় ১৩০ বার। এই পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত ১৮ জোড়া ট্রেন যাতায়াত করায় গেট পড়ছে আরও ৩৬ বার। ২৪ ঘণ্টায় ১৬৬ বার গেটের ওঠানামায় জীবন দুর্বিষহ কাটোয়াবাসীর।

Sealdah Bongaon local : শিয়ালদা বনগাঁ শাখায় রেল চলাচল ব্যাহত, চূড়ান্ত হয়রানি
কাটোয়ার বাসিন্দা সঞ্জয় দাস বলেন, ‘একে বলে মরার উপর খাঁড়ার ঘা। সারাদিন রেল গেটে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কেটে যাচ্ছে। অবিলম্বে রেল ওভারব্রিজ তৈরি করা হোক।’ আর এক বাসিন্দা রিতা দত্ত বলেন, ‘ছেলেকে স্কুলে দিতে যাচ্ছি গেট পড়ে থাকছে। ফেরার সময়ও একই অবস্থা। আর একবার পড়লে ৮-১০ মিনিটের কমে রেল গেট উঠছে না।’ কাটোয়া স্টেশন ম্যানেজার অরূপ সরকার বলেন, ‘রেলের কাজের জন্য সাময়িক এই সমস্যা চলছে। কাজ সম্পূর্ণ হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *